শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।। একের পর এক ধর্ষণ! আশ্চর্য হলেও সত্য দেশে এখন একের পর এক নারী ও শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণের খবর আসছে চারিদিক থেকে। কোলের শিশু, স্কুল ছাত্রী, মাদ্রাসা ছাত্রী, গৃহবধু এমনকি বৃদ্ধাও বাদ যাচ্ছে না ধর্ষকদের হাত থেকে। তেমনই একটি খবর পাওয়া গেল কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার এক মাদ্রাসা থেকে। কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার একটি আবাসিক মাদ্রাসার ১৩’বছরের এক নাবালিকা ছাত্রীকে একাধীকবার ধর্ষণ করেছে ঐ মাদ্রাসার সুপার। এ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কুষ্টিয়া মিরপুর থানাতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন ঐ ছাত্রীর বাবা।
মামলার পরপর সোমবার রাতেই পুলিশ মাদ্রাসা সুপার আব্দুল কাদেরকে গ্রেপতার করে। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী মাদ্রাসাটি ভাংচুর করে। ভুক্তভোগি বাচ্চাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।মামলার এজাহার থেকে জানাযায়,”ঐ বাচ্চাটি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী। সপ্তাহে ছয় দিন সে মাদ্রাসায় থেকে পড়াশোনা করতো। শুক্রবার বাড়ি বাবার সাথে বাড়ি যেতো আবার শনিবার বাবার সাথেই মাদ্রাসায় ফিরে আসতো। গত শনিবার সকালে বাচ্চাটির বাবা মাদ্রাসায় পৌছে দিয়ে বাড়ি ফিরে যান। রোববার ফজরের নামাজের আগে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আব্দুল কাদের বাচ্চাটিকে তার নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে বললে অসুবিধা আছে বলে শাসিয়ে দেয়।
কিন্তু বাচ্চাটি সকালে তার এক সহপাঠিকে জানায় ঘটনাটি। ঐ সহপাঠি তার বাবাকে জানালে ঘটনাটি এলাকাতে মুহুর্তের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। “এক পর্যায় এলাকার বিক্ষুদ্ধ জনতা এক হয়ে মাদ্রাসাটি ভাংচুর করে। খবর পেয়ে মিরপুর পুলিশ জনতাকে শান্ত করে বাচ্চাটিকে থানায় নিয়ে যায়। পরে বাচ্চাটির বাবা মিরপুর থানায় বাদি হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল কালাম বলেন, মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে, প্রধান আসামি মওলানাকেও আটক করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























