কাউন্টি ডারহামে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন আবাসন অধিগ্রহণের পরিকল্পনা থেকে পিছু হটেছে লেবার পার্টি। এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে, স্বরাষ্ট্র দপ্তর ওই অঞ্চলে ১০০ থেকে ১৫০ শয্যার নতুন আবাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। সে সময় আবাসন ক্রয়ে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল লেবার পার্টি। কিন্তু হঠাৎ করেই স্থানীয়দের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হলে ডারহাম কাউন্টি কাউন্সিল তীব্র সমালোচনা করে।
সরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেয়ার্স’ ২০২৫ সালের জুন মাসে তিন মাসের জন্য নতুন বাড়ি না কেনার ঘোষণা দিলে আবাসন পরিকল্পনায় স্থবিরতা তৈরি হয়। তবে যোগাযোগের ঘাটতি ও স্থানীয়দের উদ্বেগের মুখে অভিবাসন মন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস পুনরায় স্থগিতাদেশ জারি করেন।
লোকাল ডেমোক্রেসি রিপোর্টিং সার্ভিসে পাঠানো এক চিঠিতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন নরিস। তিনি জানান, বর্তমানে কাউন্টি ডারহামের বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্সিল হাউজিংয়ে কোনো আশ্রয়প্রার্থীকে রাখা হচ্ছে না এবং আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত আসনের সংখ্যাও বাড়ানো হয়নি।
এদিকে, বিশপ অকল্যান্ডের লেবার এমপি স্যাম রাশওয়ার্থ বলেন, ডারহামে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই, তাই এ নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই।
অন্যদিকে, অভিবাসন নীতিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলছে নানা আলোচনা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রিফর্ম পার্টি হাজার হাজার মানুষকে বহিষ্কার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)-এর আদলে একটি সংস্থা গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। পাশাপাশি তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকার অনুমতি (ILR) বাতিলের কথাও জানায়। তবে প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এ ধরনের কঠোর নীতি থেকে সরে এসে অভিবাসন ব্যবস্থাকে তুলনামূলক নমনীয় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
























