রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি।। নীলফামারীর সৈয়দপুরের গ্রামের হাট বাজার সয়লাব হয়েছে বিএসটিআই এর অনুমোদনবিহীন নিম্নমানের ভোগ্যপণ্যে। এ ছাড়া নাদি দামি কোম্পানির লেবেলযুক্ত প্যাকেটে প্যাকিং হয়ে বিভিন্ন পণ্য বাজারজাত হচ্ছে। এসব খাদ্য দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে জুস, সেমাই, মরিচগুড়া, চিপস্ধসঢ়;, বিস্কুট, চানাচুর, নারকেল তেল , হলুদ গুড়া, পানিয়সহ শিশুদের বিভিন্ন ধরনের খাবার। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেরি এসব খাবরা খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে দুই ডজনেরও বেশি অনুমোদনহীন কারখানা।
সরেজমিনে সৈয়দপুর উপজেলার শহীদ ডা.জহুরুল হক (বিচালীহাটি) রোডে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে অনুমোদনহীন এসব পণ্যের পসরা সাজিয়েছে। প্রকাশ্যে বেঁচা-বিক্রি হচ্ছে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন নানান পণ্য। ওই রোডের এক খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা ডিলারশীপ নিয়ে তার দোকানে বগুড়ার তেরি পিংপং ও দীপ নামের দু’টি জুস বিক্রি করছে। জুস দু’টি হাতে নিয়ে দেখা যায় প্যাকেটে নেই কোন উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ কিংবা বিএসটিআইয়ের অনুমোদন।
এছাড়া, উল্লেখিত রোডের অন্যান্য দোকানেও স্থানীয় ও অন্য এলাকায় তেরি করা অনুমোদনহীন খাদ্যপণ্য খুচড়া ও পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে । একই শহরের মিস্ত্রিপাড়া, গোলাহাট,নিয়ামতপুর, পুরাতনবাবুপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নিম্নমানের আটা দিয়ে তেরি চিপস্ধসঢ়; শুকানোর জন্য রাখা হয়েছে খোলামেলাভাবে। সেখানে জমছে ধূলাবালি ও রোগ জীবানু। কিছু কারখানায় কয়েকজন কর্মচারি সেফটি ইকুপমেন্ট ছাড়া ঘরের মেঝের উপর নোংরা ও ময়লাযুক্ত স্থানে ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে পা দিয়ে বিস্কুট তেরির আটা প্রস্তুত করছে। তার পাশেই কয়কদিনের পুরনো কালো তেলে চলছে চানাচুর ভাজার কাজ।
রাখা হচ্ছে ময়লাযুক্ত স্থানে। এদের নেই কোন অনুমোদন, নেই প্যাকেজিং লাইসেন্স এমন কি নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। মানুষেরে খাওয়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপুণ্য এসব ভোগ্যপন্য উপজেলা বিভিন্ন হাট বাজর ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতেও পাঠানো হচ্ছে। জানতে চাইলে সৈয়দপুর পৌরসভার স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আলতাফ হাসেন বলেন, গত একমাস ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছি। সুস্থ্য হলেই বিষয়টি তদারকি করা হবে।
এসব পণ্যের স্বাস্থ্য ঝুকি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আলিমুল বাশার বলেন, এসব খাদ্যে যে রং ব্যবহার করা হয় তা মূলত ক্ষতিকারক কেমিক্যাল। যা খেয়ে চর্মরোগসহ লিভার ও কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























