স্টাফ রিপোর্টার, লক্ষ্মীপুর।। রায়পুর উপজেলার কেরোয়ায় উপ-নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ভোটের হিসাবে অসংগতি এবং উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কেরোয়া ইউনিয়নসহ সচেতন মহল।
কেননা কাউন্সিলর করা হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৬৯+ ৯ ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ১৮+ তিন সহযোগী সংগঠন ৬=৯৩। বাবুল পাটোয়ারীর দাবী তার সাথে সভা বয়কট করেছে ২৫ জন।উপজেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মামুনের দাবী অনুপস্থিত ৮ জন। মোট ৯৩ ভোটের মধ্যে বাবুল পাটোয়ারীর অনুসারী ২৫ ও অনুপস্থিত ৮ ভোট বাদ দিলে ভোট বাকী থাকে ৬০।
ফলাফল ঘোষনার সময় বলা হয়, শাহজাহান কামালের সহধর্মিনী কহিনুর বেগম রেখা পেয়েছেন ৭১ ভোট+ জেলা যুবলীগ নেতা বায়েজীদ ভূঁইয়া ১৫ ভোট + স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শিপন মোল্লা ৩ মোট। তাহলে মোট প্রাপ্য ভোট ৮৯। প্রশ্ন হচ্ছে ৬০ ভোট কিভাবে হলো ৮৯ ভোট? হাত তোলা পদ্ধতিতে ২৯ ভোট আসলো কোথা থেকে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রায়পুরে। অন্যদিকে ভোট কেনো গোপন ব্যালটে না হয়ে হাত তোলা হলো? আ’লীগের যেখানে ওয়ার্ড নেতা হয় গোপন ব্যালটে সেখানে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকানো ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন হলো হাত তোলা পদ্ধতিতে।
বায়েজীদ ভূঁইয়ার দাবী বাবুল পাটোয়ারী সভা ত্যাগ করার পর হাউজে উপস্থিতি ছিলো মোট ৪৩ জনের। আবার শাহজাহান কামালের স্ত্রী রেখা,ছেলে তানজিদ,ভাই স্বপন,ভাই ফিরোজ,ফিরোজের শ্যালক নাহিদ ও রায়পুরের শাহী হোটেলের স্টাফ ১২ জনকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটিতে রাখার মাধ্যমে ষোলকলা পূর্ণ করতে ভূমিকা রাখার দাবী করেছেন বায়েজীদ ভূঁইয়া। বায়েজীদ ভূঁইয়া,বাবুল পাটোয়ারী ও শিপন মোল্লারা অধ্যক্ষ মামুন ও ইসামাইল খোকন দ্ধারা প্রতারিত হওয়ার অালোচনা পরবর্তীতে কেরোয়ায় কোন দিকে মোড় নেয়,তাই দেখার বিষয়।
লক্ষ্মীপুর নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























