জহির সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা।। সরাইলে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভূমি দস্যুরা। আর এ সব অবৈধ দখলদাররা ভুমি অফিসের  ২০০ গজের মধ্যে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের তিতাস নদীর তীরবর্তী জায়গা দখল করে  অবৈধ বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন । পাকশিমুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ২০০ গজের মধ্যে অবৈধভাবে এ সব  জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভূমি দস্যুরা। তবে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলছেন, এমন কিছু তার চোখে পড়েনি।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, স্থানীয় আকবর আলী তিতাস নদীর উপর পাকশিমুল-অরুয়াইল সেতুর পাশে দীর্ঘদিন ধরে নদীর প্রায় ২০ শতাংশ জায়গা দখল করে বালুর ব্যবসা পরিচালনা করছেন। দখলকৃত জায়গাটি বিএস খতিয়ান অনুযায়ী তিতাস নদীর। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাত্র ২০০ গজের মধ্যে ব্যবসা চলমান থাকলেও তাতে  বাধা দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের যোগ-সাজসে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ভূমি দস্যুরা। অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনায় অভিযুক্ত আকবর মিয়া জানান, জায়গাটি তিনি দখল করেননি। রউফ মিয়া নামক এক ব্যক্তির কাছ থেকে বছর প্রতি ১০ হাজার টাকা মূল্যে ভাড়া নিয়েছেন। এ বিষয়ে পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জায়গাটি নতুন বিএস অনুযায়ী সম্পূর্ণ তিতাস নদীর মালিকানাধীন। এই বিষয়ে একাধিক বার আপত্তি জানানো হয়েছে। স্থানীয় ভূমি অফিসের নায়েবকে জানালেও বিষয়টি নিয়ে তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি।’ তবে পাকশিমুল ভূমি অফিসের নায়েব আব্দুল কুদ্দুস জানান, ভিন্ন কথা। তিনি  বলেন, ‘অবৈধ জায়গায় বালুর ব্যবসা হচ্ছে এমন কিছু আমার চোখে পড়েনি।’ তিনি বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার’র (ভূমি) সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেন।

অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে অবগত নন বলে জানান সরাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেন, ‘খোঁজ খরব নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জহির সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে