বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিওকে নিয়ে দুই বছর আগের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
কর্মচারীদের একটি চলমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। একজন সাংবাদিক তাঁর টিভি চ্যানেলে ভিডিও নিয়ে প্রতিবেদন করতে না পেরে ফেসবুকে ছেড়েছে। কারণ এর কোন সংবাদমূল্য নেই। সংবাদমূল্যহীন এ ধরনের প্রতিবেদন গণমাধ্যম প্রকাশ বা প্রচার করবে না এটাই স্বাভাবিক।
উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে বিতর্কিত করার জন্য যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়েছে সেটি দুই বছর আগের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের। ওই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বিদায়ী শিক্ষার্থীরাসহ অন্য বিভাগের দুই-একজন শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন। ওই বিভাগের প্রধান সাইদুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে উপাচার্য ওই অনুষ্ঠানের আনন্দক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা কোন অপরাধ নয় বরং তা উদার মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। ভিডিওতে দৃষ্টিকটু কোন উপাদান নেই বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বার্থান্বেসীমহল ভিডিওটি নিয়ে যেভাবে মন্তব্য করেছেন তা নিন্দনীয়, মানহানিকর এবং বিদ্যমান আইনের সুস্পষ্ট লংঘন।
ওই স্বার্থান্বেসী মহল কর্তৃক বিভিন্ন কুরুচিসম্পন্ন মন্তব্য যোগ করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে যাতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকলের সুনাম ক্ষুন্ন হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান সাইদুর রহমান যিনি ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি তাঁর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, “আমরা সবাই জানি, বর্তমান উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কতটা সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করে থাকেন। তারই অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাথে ওই আনন্দক্ষণে অংশ নেওয়া দোষের কিছু নয়!”ভিডিওটি নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা থেকে বিরত না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ
























