প্রায় তিন দশক পর আজ হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। ১৮টি হলে স্থাপিত ভোট কেন্দ্রে রাতেই ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ৪৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ডাকসু ও হল সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেবেন। রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রায় ইতিহাস হতে যাওয়া ডাকসুতে আবার প্রাণ ফিরছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু ও ১৮টি আবাসিক হল সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে প্রস্তুত শিক্ষার্থীরা। উৎসবমুখর পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত।১৯৯০ সালের ৬ জুন ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন শেষে কেটে গেছে ২৮ বছর। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বেশ কয়েকবার পদক্ষেপ নিলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।
মেয়েদের ৫টিসহ ১৮টি আবাসিক হলে করা হয়েছে ভোট কেন্দ্র। প্রচারণা শেষে হয়েছে একদিন আগেই। তবে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোসহ কয়েকটি দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল ও বাম সংগঠনগুলো। এছাড়া গণমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ির আরোপের প্রতিবাদ জানান তারা।দেশের দ্বিতীয় সংসদ খ্যাত ডাকসু নির্বাচনে ৭৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ডাকসুর ২৩টি পদে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, প্রগতিশীল ছাত্রজোটের প্যানেল ও স্বতন্ত্রসহ প্রার্থী ২২৯জন। ভিপি পদে ২১ জন এবং জিএস পদে লড়ছেন ১৪ জন। প্রতিটি হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে ৫০৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ডাকসুর নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে সকাল ৮টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত ৪৩ হাজার ২শ’ ৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।এদিকে, ভোটের আগেরদিন বিএনপি-জামাত সমর্থিত সাদা দলের শিক্ষকরা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি-না সে ব্যপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন।তবে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন ছাড় দেবে না বলে স্পষ্টই জানিয়েছেন প্রক্টর একে এম গোলাম রব্বানী।
সোমবারের নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ২৮ বছর ধরে ডাকসু’র বন্ধ দুয়ার খুলবে বলে প্রত্যাশা সবার।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ























