
শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।। কুষ্টিয়া বিএডিসি(সার) অফিসের দুর্নীতিবাজ সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হলেও কুষ্টিয়া অফিসে এখনো বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন। প্রায় ১০’বছর একই জেলায়, একই স্থানে, একই পদে কুষ্টিয়ার কিছু স্থানীয় দালালদের সহযোগিতায় ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সিন্ডিকেট তৈরি করে চাকরি করে যাচ্ছেন। সেই সুবাদে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। যা পূর্বের সংবাদে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে তার দুর্নীতির বিস্তর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। পূর্বের প্রতিবেদনে প্রকাশিত তার দুর্নীতির অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১০’কোটি ৮০’লক্ষ টাকা। বর্তমানে উক্ত অর্থের চেয়ে আরো অনেক বেশি অর্থ লোপাটের হিসেব পাওয়া গেছে। তা তিনি নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর করে রেখেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
মাহবুবুর রহমানের দুর্নীতির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএডিসি বীজ ও সার ডিলার সমিতির ৩৬’জন ডিলারের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান বরাবর প্রেরণ করেন। উক্ত অভিযোগের সূত্র ধরে প্রতিবেদক চলে যান সরাসরি তার দপ্তরে। প্রতিবেদক টিমটি সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমানকে প্রশ্ন করলে একের পর এক তার সকল দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে।
উক্ত দুর্নীতির তথ্য স্থানীয়, জাতীয় ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে একাধিক নিউজ প্রকাশিত হলেও তার বিরুদ্ধে এখনও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেননি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। তাহলে কি, বিএডিসি (সার) ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষও এই দুর্নীতিবাজ মাহবুবুর রহমানের বিষয়টি জানার পরও বহাল তবিয়তে কজ করতে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন? দুর্নীতিবাজ এডি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে প্রকাশিত পত্রিকার সংবাদ’সহ একটি অভিযোগ পত্র সকল দপ্তরে প্রেরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
লকডাউন শিথিল হলেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত পত্রিকার সংবাদগুলো ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের বিএডিসি সার এর চেয়ারম্যান’সহ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী, দুদক এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাশন।
উল্লেখ্য, বৃহত্তর কুষ্টিয়া মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গার সকল সার ডিলাররা এডি মাহবুবুর রহমানের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, তিনি চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার ডিলারদেরকে ঠিকমতো সার প্রদান করেন না বরং তাদের সঙ্গে দুর্নিতির মাধ্যমে প্রতারনা ও অসদাচরণ করে যাচ্ছেন দীর্ঘ ১০’বছর ধরে। সেইসাথে কুষ্টিয়ার কিছু অসাধু সার ডিলারদেরকে নিয়ে অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে দাম্ভিকতার সাথে কুষ্টিয়া জেলায় চাকরি করছেন। আমরা দুর্নীতিবাজ সহকারী পরিচালক ওরফে গোডাউন ইনচার্জের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ



























