মাসুদ রানা, মেহেরপুর প্রতিনিধি।। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় কার্পাসডাঙ্গা বাজারে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা কলোনীপাড়ায় বাক্কার বাড়িতে গোপনে মেয়াদত্তীর্ন গ্লুকোজ নতুন করে প্যাকেট জাত, এবং ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানের নামে মোমবাতি,ভারতীয় লেখার মোড়কে আগরবাতি,বেনামে চলছে গ্লুকোজ ফ্যাক্টরীতে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসন ও জেলা ভোক্তা অধিকার যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিলারা রহমান। ভ্রম্যমান আদালতের জানা যায়, জিপি ফ্যাক্টরিতে চলছে নকল পণ্য উৎপাদনের মহাসমারোহ। বেনামে চলছে ফ্যাক্টরি। কোন রকম বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়াই উৎপাদন হচ্ছে গ্লুকোজ। মেয়াদউত্তীর্ণ গ্লুকোজ নতুনভাবে প্যাকেটজাত করে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এক্সপায়ার ডেট। যা মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অথচ বাইরের প্যাকেট দেখে বোঝার কোন সুযোগ নাই।

ভারতীয় লেখা দিয়ে প্রিন্ট হচ্ছে আগরবাতি এবং মোমবাতির প্যাকেট। প্যাকেটজাত মোমবাতি/আগরবাতি অধিকাংশ মানুষই ভারতীয় পণ্য ভেবে গুণগত মান বেশি ভেবে অধিক মূল্যে ক্রয় করবে এমনভাবে মোড়কজাত করছে তারা। উক্ত কারখানার সমস্ত গ্লুকোজ ঘটনাস্থলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং অর্থদন্ড দেওয়া হয়। জননিরাপত্তার কথা ভেবে আগর বাতি এবং মোমবাতিতে ঐ স্থানে আগুন দেওয়া হয়নি। তাদেরকে এসব দ্রব্য অপসারণের নির্দেেশ দেওয়া হয়। সর্বপরি, সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকীস্বরূপ এমন কোন কাজ করা যাবে না এবিষয়ে সবাইকে সচেতন করা হয়। উক্ত নকল গ্লুকোজ তৈরীর মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনের ৩৭ ধারায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ও উক্ত কারখানার সমস্ত গ্লুকোজ ঘটনাস্হলেই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসময় ভোক্তা অধিকারের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ, কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আতিকুর রহমান জুয়েল উপস্থিত ছিলেন।

মেহেরপুর নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে