মাসুদ রানা, মেহেরপুর প্রতিনিধি।। ১৯৯৮’সালে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, ২০১৮ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষণা, ২৩’শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর লিখিত প্রতিশ্রতি, স্বাস্থ্য পরিদর্শক-১১, সহকারী পরিদর্শক ১২ এবং স্বাস্থ সহকারি-১৩ তম গ্রেড প্রদান করে নিয়োগ বিধি সংশোধন সহ বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে মেহেরপুর হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের সকল সদস্যরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ কর্মবিরতি চলছে। এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মরত স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারিরা চাকুরি চলাকালীন হতে অবহেলিত, বঞ্চিত ও চরম বৈষম্যের শিকার অথচ টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল। টিকাদানের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা কাজ করে চলেছি। আমরা মাতৃমৃত্যুও শিশুমৃত্যুর হার কমানো, পোলিওমুক্ত বাংলাদেশ, শিশুদের যক্ষা নিয়ন্ত্রণ, গুটিবসন্ত মুক্ত বাংলাদেশ, হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ ও ধনুষ্টংকার মুক্ত বাংলাদেশের পুরস্কার অর্জন করেছি। সেই সাথে করোনান প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা,জনগণকে সচেতন করা, আক্রান্ত ব্যক্তির নিকট স্বাস্থ্য শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় হাসপাতালে প্রেরণ করা ইত্যাদি কর্মসূচি আমরা করেছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তোফায়েল হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ বিপ্লব, সদর উপজেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক জিয়ারুল ইসলাম, জেলা সদস্য ও দাবি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আহমেদ আলী ইসলাম, সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস, কামরুল হাসান ফিরোজ, আমারুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম, আশরাফুল ইসলাম, ওবায়দুর রহমান, নার্গিস আক্তার, রিজিয়া পারভীন, তাসলিমা খাতুন, মোস্তাফিজুর রহমান, আলাউল হকসহ স্বাস্থ্য কর্মীরা।
মেহেরপুর নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























