আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।। সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ ইউপিতে কালো বাজারে বিক্রি হয়ে যাওয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ১০’টাকা কেজির ৬৯’বস্তা চাল জব্দ করেছে প্রশাসন। তিন কালো বাজারীরা পলাতক রয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার ১০নং সয়দাবাদ ইউনিয়নের দুখিয়াবাড়ী পূর্বপাড়ার ৩টি বাড়ি থেকে এসব চাল জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, ১০’টাকা কেজি দরের চাল তালিকাভুক্ত উপকারভোগীদের মাঝে বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে বেশকিছু বস্তা চাল পাচারের জন্য রমজান আলী ওরফে ভাষার বাড়িতে ২৬’বস্তা, শ্রী মানিক চন্দ্রের বাড়িতে ২৩’বস্তা ও আমজাদ হোসেনের বাড়ীতে ২০’বস্তা চাল রাখা হয়েছে। ওই ৩’কালো বাজারিদের বাড়ীর ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা ওইসব চালের বস্তার খবর প্রকাশ হয়ে পড়লে সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত হন। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করে। পরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহমত উল্লাহ ঘটনাস্থলে যান। এসময় ওই তিনটি বাড়ি থেকে পৃথকভাবে রাখা ৬৯’বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত ৬৯ বস্তা প্রায় ২১০৫ কেজি চাল ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষনে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর সয়দাবাদ ইউনিয়নের ডিলার মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন, রুবেল, সবুজ, হালিম ও রকেট সরকারী চাল কালো বাজারে বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, অনেক স্বচ্ছল ব্যক্তি ডিলার পয়েন্ট থেকে চাল ক্রয় করে বাড়ি নেওয়ার সময় বিক্রি করে দেন। আমরা কার্ডধারী ছাড়া কাউকে চাল দেয় না।
সয়দাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. নবীদুল ইসলাম জানান, হতদরিদ্রদের দেওয়া ১০ টাকা কেজি দরের চাল সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাচ্ছে। তাই বিষয়টি সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবী জানাই।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহমত উল্লাহ জানান, হতদরিদ্রদের দেওয়া ১০ টাকা কেজি চাল বাড়ীতে মজুদ রয়েছে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে চাউলগুলো জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত চালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষনে রেখে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর ও স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























