রাজুর বন্ধুদের সাথে কথা জানা যায়, রাজু মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাত নয়টার দিকে অত্যাধিক মাত্রায় রক্তবমি করতে শুরু করে। দেখতে পেয়ে তাকে তৎক্ষণাৎ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন তারা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় রাজু (ক্রনিক লিভার ডিজিজ-ঈখউ) এ আক্রান্ত। যা তার অগোচরেই সুপ্ত অবস্থায় ছিল।চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ সে জন্ডিসের সমস্যায় ভুগছিল। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণে রাজুর সম্পূর্ণ লিভার নষ্ট হয়ে গেছে। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্য ৭২ ঘন্টায় ১৮ টি ইনজেকশন প্রেসক্রিপশন করা হয়েছে, যার প্রতিটির মূল্য ৪০০০ টাকা। রাজু’র চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ তার সহপাঠীরা মিলে যুগিয়েছে। অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, রাজু’র জীবন যদি কোনভাবে বঁাচানো যায়, আমরা শেষ পর্যন্ত ওর পাশে থাকবো।আমাদের বিভাগের কোন শিক্ষার্থী এর আগেও অসুস্থ হলে বিভাগ পাশে থেকেছে। রাজু’র বিষয়টি যেহেতু বেশি সেনসেটিভ আমরা অবশ্যই পাশে থাকবো।জানতে চাইলে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কেবিএম মাহবুবুর রহমান বলেন, রাজুকে দেখতে গিয়েছিলাম। অবস্থা আশঙ্কাজনক তবে ডাক্তাররা বলেছেন সর্বোচ্চ ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, আমি ওর পরিবারের সাথে কথা বলেছি। রাজু’র বাবা নেই ওর মা আর ওর ভাই এসেছে। তাকে বঁাচাতে আমার ছেলেমেয়েরা অলরেডি ফান্ড কালেকশন শুরু করেছে। আমি ওদের ধন্যবাদ জানাই। রাজু’র চিকিৎসার জন্য বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
রাজু’র স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে দেশের দয়াশীল এবং বিত্তবানদের সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে ওর পরিবার। বিকাশ (০১৭৫৩৩৭৩৭২৩), রকেট (০১৬১৮৬২২৫০৭) ও ব্যাংক একাউন্টের (২৩৮.১৫১.১২১৯৩৫, আল ইশাক রেজা অনিক, ডাচবাংলা ব্যাংক) মাধ্যমে তাকে সহযোগিতা করা যাবে।























