পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) আজকের আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ এম রোস্তম আলী আলোচনা করেন।১২ টি দাবীর প্রত্যেকটি দাবীর বিষয়ে উপাচার্যের বক্তব্যঃ

১. উপাচার্য বলেছেন নভেম্বরের ৫ তারিখের মধ্যে সমাবর্তন সংক্রান্ত কমিটি করবেন।

২. পরীক্ষার মানোয়ন্ন ফি নভেম্বর মাসেই ক্রেডিট প্রতি ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা করা হবে।

৩. বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র কল্যান ফান্ডে ১০ টি একাউন্টে ৭ লক্ষের অধিক টাকা অলস পড়ে আছে এবং বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ আছে বলে  জানিয়েছেন উপাচার্য।গরিব মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা চাইলে স্কলারশিপের জন্য আবেদন ও করতে পারবে।কিন্তু এতোদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা  বলেছেন এমন কোন ফান্ড বা টাকা নেই।এটি শুনে তিনি অত্যন্ত রাগান্বিত হয়েছেন এবং বলেছেন এটা এতোদিন  ছাত্রদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে।

৪. বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের গবেষণার জন্য বরাদ্দ আছে এমন কি তিনি সর্বোচ্চ বরাদ্দ জন প্রতি ১৫ হাজার টাকা টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭২০০০ টাকা করে দিয়েছেন।অথচ এতোদিন শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে গবেষণার জন্য বরাদ্দ নেই।তিনি আরও বলেছেন  ইউজিসি থেকে উনার উপর চাপ আছে আমাদের গবেষণার বরাদ্দ কেন শেষ হয় না?বরাদ্দ শেষ করতে পারলে ২ গুন অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়া হবে বলে ও ইউজিসির প্রস্তাব দেয়া আছে।অথচ এতোদিন শিক্ষার্থীরা জেনেছে তাঁদের গবেষণার জন্য কোন বরাদ্দ নেই।এটা শুনে ভি,সি স্যার অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

৫. পাকসুর জন্য তিনি কথা বলবেন এবং রিজেন্ট বোর্ডে ছাত্র প্রতিনিধি রাখবেন।

৬. খেলার মাঠ সংস্কার করার জন্য উপাচার্য এ পর্যন্ত ৬-৭ বার ২৫ হাজার করে টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কে  দিয়েছেন।

৭. তিনি বলেছেন এখন থেকে এই ভার্সিটি থেকে পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে।কিন্তু এ সংক্রান্ত কোন নীতিমালা তিনি দেন নি।শিক্ষার্থীরা একটি স্পষ্ট নীতিমালা চেয়েছে।

৮. ওয়েবসাইট সমৃদ্ধ করনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু স্পষ্ট করে কিছু বলেন নি।তিনি বলেছেন সার্টিফিকেটে এখন থেকে কিউ আর কোড থাকবে।

৯. আগামী ১৭ ই মার্চে জাতির পিতার ভাস্কর্য উদ্ভোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

১০. উনি বলেছেন প্রক্টর স্যার এবং ছাত্র উপদেষ্টা স্যার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করলে উনি পদত্যাগপত্র গ্রহন করবেন।উনি বলেছেন ভর্তি পরীক্ষার পর উনি প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল আনবেন।

১১. যে সকল শিক্ষকদের শোকজ করা হয়েছে উনি বলেছেন সেসব শিক্ষকরা উনার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ।

১২. নভেম্বর মাসে শহীদ মিনারের কাজ শুরু হবে যার বাজেট ৫৪ লক্ষ টাকা।আমরা এই শহিদ মিনারের ডিজাইন করার জন্য আমাদের আর্কিটেকচার বিভাগকে মনোনীত করার প্রস্তাব জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

আকরাম নয়ন
পাবিপ্রবি নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে