অভিভাবক শুন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক না থাকায় প্রশাসনিক কাজে দেখা দিয়েছে জটিলতা। যে কারণে এবার প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ২৬ মে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদ ছাড়েন ড এস এম ইমামুল হক। শুরু থেকে নেই উপ-উপাচার্য। তবে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ট্রেজারার ড এ কে এম মাহবুব হাসান দায়িত্ব নিলেও ৮ অক্টোবর শেষ হয় তার মেয়াদ।অনৈতিকতার অভিযোগে মনিরুল ইসলামকে বহিষ্কারের পর শুণ্য রেজিস্ট্রারের পদটি। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পদ ফাঁকা এক বছর ধরে। এছাড়া ৬ অনুষদের ৫টিতেই নেই ডিন। এমন প্রেক্ষাপটে মুখ থুবড়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।সংকটের মধ্যেও ১৮০ জন শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারিরা জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে আসছিলেন কার্যক্রম। এখন প্রসাশনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা জটিলতায় পড়েছেন তারা।

৬ অনুষদের ২৪ বিভাগে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৭ হাজার ৭২০ জন। ২০১৯-২০২০ সেশনে ভর্তির কথা আরো ১ হাজার ৩০০ জনের। এজন্য ১৮ ও ১৯ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার দিন ঠিক ছিল। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।স্থানীয়দের আমরণ অনশনের মুখে কর্মকাঠি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।৫০ একর জায়গায় ২০১২ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় একাডেমিক কার্যক্রম। সেই বিদ্যাপীঠের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বরিশালবাসী।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে