গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবীতে টানা চতুর্থ দিনের মত আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে গতকাল শনিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা ও আজ সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হলেও ক্যাম্পাস ছাড়েননি তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ নূরউদ্দিন আহমেদ জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হলেও তারা তাতে রাজি হয়নি। কিছু শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করলেও বেশিরভাগই রয়ে গেছে। এদিকে, শিক্ষার্থীদের ওপর গতকাল বহিরাগতদের হামলার ঘটনার পর আজ আবারো হামলা হতে পারে বলে আশংকা করছে তারা।
এই হামলার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর মোঃ বশির উদ্দিন।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্তা প্রক্টর মোঃ বশির উদ্দিন জানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনাকে ন্যাক্কার জনক উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে ইইই বিভাগের ডীন প্রফেসর ড. আব্দুর রহিমকে প্রধান, আইন বিভাগের ডীন আঃ কুদ্দুছ মিয়াকে সদস্য সচিব ও ড. সামচুল আরেফিনকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তারা আগামী ৫দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
শিক্ষার্থীদের উপর এমন হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর মোঃ হুমায়ূন কবীর পদত্যাগ করেন।ক্যাম্পাস উত্তাল থাকায় ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোনায়েন করা হয়েছে।ভিসি পদত্যাগ না করা পয্যন্ত শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে হল ত্যাগ না করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।রেজিষ্টার মোঃ নূরউদ্দিন আহমেদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগের মতোই আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের সাথে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হলেও তারা আমাদের সাথে কোন কথা বলতে রাজী হয়নি। কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেছে বলে জেনেছি। কিস্তু বেশীর ভঅগই রয়েগেছে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্তা প্রক্টর মোঃ বশির উদ্দিন জানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনাকে ন্যাক্কার জনক উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে ইইই বিভাগের ডীন প্রফেসর ড. আব্দুর রহিমকে প্রধান, আইন বিভাগের ডীন আঃ কুদ্দুছ মিয়াকে সদস্য সচিব ও ড. সামচুল আরেফিনকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তারা আগামী ৫দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে হল ছাড়ার অফিস আদেশ থাকলেও শিক্ষার্থীরা কিন্তু হলে অবস্থান করেছে। আসলে আমরা তাদেরকে রাগাতে চাই না।একটা শান্তিপূর্ন সহঅবস্থান চাই আমরা।তবে সর্ব শেষ খবর অনুযায়ী আন্দোলনকারী শিক্ষার্র্থীদের মধ্যে অনেকেই আবারো হামলার আশংকায় ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছে।যারা ক্যাম্পাসের বাইরে ছিল তারাও অনেকে যার যার গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানাগেছে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ























