নিউজ ডেস্কঃ  সরকারী কর্মব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর ও মতবিনিময় সভা বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ টিমের আহবায়ক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান-এর সভাপতিত্বে সভায় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী) বলেন, আমাদের দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থী রয়েছেন। এখন দরকার সুন্দর ব্যবস্থাপনা। বিভিন্ন বিভাগ, হল, দপ্তরগুলো কর্মপরিকল্পনা উল্লেখ করে আমাদের সঙ্গে যে চুক্তি সম্পাদন করল, মাস শেষে সেগুলোর মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, দেশের লক্ষ্য রূপকল্প-২০২১ আর আমাদের লক্ষ্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ। এজন্য আমাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ্যানুয়েল পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) হলো, একুশ শতকে জাতির কাছে, মানুষের কাছে, পৃথিবীর কাছে আমাদের যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, তার একটি দলিল। এখন সংখ্যাসূচকের ভিত্তিতে দেখাতে হবে আমরা এক বছরে কী উন্নয়ন করেছি। তিনি বলেন, উন্নয়ন এই নয় যে, হঠাৎ করে একটা আলোর ঝলক, পরে আবার অন্ধকার। উন্নয়ন হতে হবে টেকসই উন্নয়ন। তিনি আরো বলেন, জগতের সবচাইতে জরুরী বিষয় হলো ব্যবস্থাপনা। আমরা সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ টিমের আহবায়ক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, আমরা যে যে জায়গায় আছি, সে জায়গার কাজটা ঠিকমতো করার কমিটমেন্ট আমাদের থাকতে হবে। স্ব-স্ব অবস্থানে আমরা যদি দায়িত্বশীল থাকি তাহলে কোন ক্ষেত্রেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আর পিছিয়ে থাকবে না। তিনি বলেন, আমরা যেন কাজ ফাঁকি না দিই, এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, রাষ্ট্র আমাদেরকে অর্থ দিচ্ছে কিন্তু বিনিময়ে আমরা কী দিচ্ছি সে বিষয়ে নিজেকে পরীক্ষায় নেবার সুযোগ আমাদের এসেছে। তিনি আরও বলেন, মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রায়ই বলে থাকেন, লিডারশীপ এবং টিমওয়ার্ক-এর সুন্দর সমন্বয়েই কেবল সফলতা সম্ভব। আমরা সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছেন তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের এই বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বার্ষিক কর্মসম্পদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ সরওয়ার মুর্শেদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নাসিম বানু, প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী, প্রফেসর ড. মোঃ আতিকুর রহমান প্রমুখ। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, ডিনবৃন্দ, সভাপতিবৃন্দ, হল প্রভোস্টবৃন্দ এবং অফিস প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। উপ-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) ও এপিএ’র ফোকাল পয়েন্ট ড. নওয়াব আলী খান চুক্তি স্বাক্ষর সংক্রান্ত নির্দেশনা উপস্থাপন এবং সভাটি স ালনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক জাতীয় শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন ও কর্ম ব্যবস্থাপনার আওতায় মাঠ পর্যায়ে চুক্তির অংশ হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে আভ্যন্তরীন ৬৮টি একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভাগ/ অফিসের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে