বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, রাবিঃ আমরা স্পষ্ট বলছি জামাতের লোক আওয়ামী লীগে ঢুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করবে না, তারা আসবে মওদুদির আদর্শ বাস্তবায়ন করতে। যুদ্ধ অপরাধীর বিচার দ্রুত চেয়ে আমরা মাঠে নেমেছিলাম, সফল হয়েছি। আমাদের সরকারের সফলতাকে মেনে নিতে না পেরে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিরা নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই আমি তরুনদের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, তোমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকো। জাতির পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ করো ও তা বাস্তবায়ন করো।’ বলছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।
রোববার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শহীদ জননী জাহানারা ইমামের আন্দোলন : মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।
এসময় তিনি আরো বলেন, আজ আওয়ামীলীগের ভিতর জামাত অনুপ্রবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টই বলে দিয়েছেন যে আওয়ামী লীগ এতোটা দেওলিয়া হয়ে পড়েনি যে জামাত-শিবিরের লোক নিয়ে দলভাড়ী করতে হবে। আমরা স্পষ্ট বলছি জামাতের লোক আওয়ামী লীগে ঢুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করবে না, তারা আসবে মওদুদির আদর্শ বাস্তবায়ন করতে। আজ বাংলাদেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন সেখানে বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। পদ্মা সেতুর কাজ যখন শেষের দিকে, ঠিক তখনই বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা কেটে নেয়া হচ্ছে।
রাবি শাখা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি রবিউল সরকার রুবেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মামুন-অর-রশিদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া, রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার রেনী, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. নুজহাত চৌধুরী সম্পা, উপাধাক্ষ্য কামরুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, ত্যাগ যদি না থাকে মানুষের জন্য কাজ করা যায় না। বঙ্গবন্ধু যদি ত্যাগ স্বীকার না করতেন, জীবনের ঝুঁকি না নিতেন, পরিবারের কথা ভাবতেন, তাহলে আজকে এ দেশটি স্বাধীন হতো না। এদেশের মা-বোনের সবচেয়ে বড় সম্পদ নিজের সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়েছেন। যার ফলে আমাদের বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। যদিও কাগজে-কলমে দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ছয় লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁরা আমাদের জন্য একটি শান্তির পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন। তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।#
মেশকাত মিশু
রাবি নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ























