২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আজ (৫ নভেম্বর) শেষদিনে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কর্তৃপক্ষের সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের কারণে এবারের ভর্তি পরীক্ষা ত্রুটিমুক্ত ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নফাঁস, প্রক্সি ও জালিয়াতির মতো কোন ঘটনা ঘটতে পারেনি।
পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবের উদ্দেশ্যে ইউনিট সংখ্যা কমিয়ে ৮টি থেকে ৪টি করে এবারের ভর্তি পরীক্ষা দুই দিনে নেয়া হয়। এবছর ৩৩টি বিভাগে ২ হাজার ২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৪৮ হাজার ৭১৯ টি আবেদন জমা পড়ে। প্রায় শতভাগ আবেদনকারী পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী)’র নির্দেশে এবারের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ক্যাম্পাসে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষা-ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখার জন্য তিনি গত দুই দিন বিভিন্ন পরীক্ষাহল পরিদর্শন করেন। এসময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ. ফ. ম. আকবর হোসাইন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমদ, আইন ও শরীয়াহ অনুষদের ডিন ও আইন প্রশাসক প্রফেসর ড. রেবা মÐল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান প্রমুখ তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

পরিদর্শনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী) বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমার ২৮ বছরের শিক্ষকতা জীবনে এমন উপস্থিতি চোখে পড়েনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এখন সকলের নজর কাড়তে শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, দেশের দূরবর্তী জেলাগুলো থেকে ব্যাপক সংখ্যক পরীক্ষার্থীর অভুতপূর্ব অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় স্থাপন করেছে। প্রক্টরিয়াল বডির সার্বক্ষণিক তৎপরতা এবং ভ্রাম্যমান আদালত, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস-এর সহযোগিতায় এবারের ভর্তি পরীক্ষা নিছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী), উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: সেলিম তোহা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইউনিট সমন্বয়কারী, সকল পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সকল ফোরাম, প্রক্টরিয়াল বডি, ছাত্র-উপদেষ্টা, সুধি সমাজ, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইহের জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, র্যাব, ইবি প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতিসহ সকল ইলেকক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক,জাতীয়, আঞ্চলিক, অনলাইন ও স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক, সকল ছাত্র সংগঠন এবং বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস এর সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আগামীতেও তিনি সকলের নিকট এ ধরণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























