বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে উদ্বোধনের অপেক্ষায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন ভবন। আজ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১০ তলা এই ভবন উদ্বোধন করবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দৃষ্টিনন্দন ভবনটিতে থাকছে কনফারেন্স হল ডিজিটাল লাইব্রেরি হেলিপ্যাডসহ অত্যাধুনিক নানা সুযোগ।
আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত এ ভবনে তুলে ধরা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস। নির্বাচনের আগে দলকে আরও গতিশীল করতে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়েছে নির্মাণ। ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দলের হাল ধরলে নানা বিবেচনায় আওয়ামী লীগের ঠিকানা হয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, সংসদ নির্বাচন, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা ও ক্ষমতায় যাওয়াসহ দলের প্রায় সব কার্যক্রমই পরিচালিত হয়েছে এখান থেকে।
চারতলা এই পুরনো ভবনে স্থান সংকটের কারণে ২০১১ সালে পরিকল্পনা হয় নতুন ভবন নির্মাণের। ২০১৬-য় নকশা অনুমোদন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হয় কাজ।১০ তলা এই ভবনের ৬-তলা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়। থাকছে কনফারেন্স হল, সেমিনার কক্ষ, ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিক লাউঞ্জ, ক্যান্টিন ও ডরমেটরি। দলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের জন্য বড় পরিসরে রয়েছে আলাদা দুটি কক্ষ।১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। আন্দোলন- সংগ্রাম-ঐতিহ্যে দলটি পৌঁছেছে ইতিহাসের অনন্য এক উচ্চতায়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা পরির্তন হয়েছে অন্তত আট বার। অনেক চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে নান্দনিক নকশায় নির্মিত আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ নতুন ভবন পেল দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দলটি। দল পরিচালনা, গবেষণা, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে আধুনিক কার্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা আওয়ামী লীগ নেতাদের।
অনলাইন ডেস্ক



























