বন্যার ধাক্কা কাটিয়ে না উঠতেই নদী ভাঙনে দিশেহারা গাইবান্ধা-কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের মানুষ। এরই মধ্যে তিস্তা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়েছেন অনেকে। সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে কেউ কেউ ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। বন্যার দুর্ভোগের মধ্যেই তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা ও মেঘনার ভাঙন তীব্র হয়েছে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শরীয়তপুর এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায়। প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিসহ নানা স্থাপনা।

ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়েছেন অনেকে। গত এক মাসে গাইবান্ধায় নতুন আতংক নদী ভাঙনে সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার পনের ইউনিয়নে অন্তত পাচ হাজার ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে নদীতে। ভাঙনরোধে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা। ভয়াবহ ভাঙনের কবলে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পদ্মা পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভাঙন আতংকে নির্ঘুম রাত পার করছেন বড়কান্দি, নাওডোবা ও কুন্ডেরচর ইউনিয়নের সতের গ্রামের বাসিন্দা।

জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার পাশাপাশি ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়েছে কৃষি জমি সহ শতাধিক ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে