হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোরওয়ার্দী উদ্যানের তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ১৯৭১ সালের ৭ মাচ এরর্ যে ঐতিহাসিক ভাষন, তা ছিল বাঙালী জাতির মুক্তির সনদ। দীর্ঘ নয় মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রামের সুনিদিষ্ট দিক-নির্দেশনা ছিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষনে। ১৭ ও ২৬ মার্চ উদযাপন উপ-কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এ দেশ কখনই স্বাধীন হতো না। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৯ এর গনঅভ্যুথান ৭০ এর নির্বাচন সর্বশেষ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন এর মাধ্যমে বাংলার সর্বশ্রেণীর মানুষকে স্বতঃস্খূতভার্বে দেশ স্বাধীনের সশ্রস্ত সংগ্রামে যার যার অবস্থান থেকে ঝাপিয়ে পড়তে প্রত্যক্ষভাবে উদ্ভুদ্ধ করেছিল। তিনি আরো বলেন ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন শুধু আজ বাঙালী জাতির গর্বের বিষয় নয় বরং তা আজ জাতিসংঘের ইউনোস্কো ঘোষিত “বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্যে” ঘোষনার মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষন আজ বিশ্বের সকল নিপীড়িত, নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষকে মুক্তির সংগ্রাম করবার অনুপ্রেরণা যোগায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে দেশের দিশেহারা মানুষেরা এমন একটি দিক-নির্দেশনামুলক ভাষনের জন্যই অপেক্ষায় ছিলেন। জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোরওয়ার্দী উদ্যানে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দাড়িয়ে যখন বললেন এবারে সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তখন লোকে লোকারন্য পুরো রেসকোর্স ময়দান উদ্বোলিত হলো। তিনি বলেন ৭ মার্চের ভাষন আজ শুধু জাতীয় সম্পদ নয় বরং এটি আজ আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনায় দক্ষ নেতৃত্বের কারনে। তিনি সকলকে দেশপ্রেমে উজ্জিবীত হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা মহান মুক্তিসংগ্রামের সর্বাধিনায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন ছিল বাঙালী জাতির মুক্তির সনদ। পৃথিবীর প্রতিটি বঞ্চিত মানুষের কথা আছে এই ভাষনে এটি অনুধাবন করতে পেরেই দ্রুত জাতিসংঘের ইউনোস্কো এই ভাষনকে “বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্যে” হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সকলকে এই স্বীকৃতিকে ধরে রাখবার এবং ৭ মার্চের ভাষনে অনুপ্রানিত হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে যার যার অবস্থান থেকে দেশ গঠনে কাজ করবার আহবান জানান। এর আগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী এর নেতৃত্বে প্রশাসন ভবনের সামনে হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ইবি ল্যাবরোটরি স্কুল এন্ড কলেজের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রী এবং ছাত্রলীগ ইবি শাখার সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে এক র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যালের পাদদেশে সমাবেশ স্থলে গিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোহাঃ মেহের আলী, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম জোহা , সাধারন সম্পাদক মীর মোর্শেদুর রহমান, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ সোহেল, গ্রন্হাগারিক (ভারঃ) আতাউর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারঃ) মোঃ আলীমুজ্জামান, হিসাব পরিচালক (ভারঃ) আকামুদ্দিন বিশ্বাস, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে আজাদ, ছাত্রলীগ ইবি শাখার সভাপতি শাহিনুর রহমান, , সাধারন সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমসহ সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী ও ছাএলীগ ইবি শাখার নেতা-কমীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জনসংযোগ অফিসের সহকারী পরিচালক রাজিবুল ইসলাম।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে