
খাগড়াছড়িতে পরিবেশ আইন না মেনে অবাধে চলছে পাহাড় কাটা। রাতের আঁধারে পাহাড় কাটছে একটি চক্র। প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। শুষ্ক মৌসুম এলেই খাগড়াছড়িতে শুরু হয় পাহাড় কাটার মহোৎসব। এ কারণে প্রতি বর্ষায় শুরু হয় পাহাড় ধস। প্রশাসন বলছে, অভিযান পরিচালনা করেও থামানো যাচ্ছে না পাহাড় খেকোদের।
কয়েক বছর ধরে খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি। বিনা বাধায় পাহাড় খেকোরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের নজর ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতে চলে পাহাড় কাটা। সারা রাত ধরে চলে মাটি পরিবহন। রামগড়ের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে জায়গা ভরাট করা হচ্ছে, ইটভাটা নির্মাণ হচ্ছে যেখানে সেখানে। আর ছোট বড় এসব পাহাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী বেশ কয়েকটি চক্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পাহাড় কাটার সাথে জড়িত রামগড় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। পাহাড় কাটা হলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তবে জেলা প্রশাসক বলছেন, পাহাড় কাটার ঘটনায় একাধিকবার জরিমানা করা হলেও থামানো যাচ্ছে না। এরই মধ্যে ২ মাসে পাহাড় কাটার ঘটনায় ১৫টি মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। জরিমানা করা হয়েছে ৫ লাখের বেশি টাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেনঅপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটার কারণে বর্ষায় পার্বত্য জেলায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসে। প্রশাসনিকভাবে পাহাড় কাটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় দেদারছে পাহাড় কাটা চলছে। অবিলম্বে তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করা না গেলে ভয়াবহ পরিবেশ ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ























