আশরাফুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা।। সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাধের পুরাতন জেলখানা ঘাট এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে ধ্বস দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ২৫০’মিটার এলাকা ধ্বসে গেছে। ধ্বসের পরিমান আরো বাড়তে পারে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন ঠেকাতে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন দীর্ঘদিন তদারকি গাফিলতির কারনেই এমনটা ঘটেছে।
সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর হার্ড পয়েন্টের বোল্ডারগুলো যখন ধ্বসে পড়ছিলো। তখন স্থানীয়দের স্বপ্নও যেনো ডুবে যাচ্ছিলো নদীতে। স্থানীয় মানুষের চিৎকার, ধ্বস ঠেকানোর চেষ্টা সবকিছু বিফল করে দিয়ে তবুও ভাঙ্গছিলো বাধ।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকেই যমুনার পানির গতি সুবিধার নয় দেখে ভাঙ্গনের আশংকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্ম কর্তাদের ফোন করলেও তারা কোন আমলে নেয়নি। কিন্তু সময় গড়িয়ে ভাঙ্গন শুরু হলে তখন তৎপরতা শুরু করে কর্ম কর্তারা। কিন্তু ততক্ষণে নদীগর্ভে চলে গেছে অন্তত ২৫০ মিটার এলাকা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, জরুরী অবস্থায় তরিৎ কাজ করতে অন্যান্য সময় বোল্ডার পাথর বাঁধ এলাকায় স্তুপ করা থাকতো। এবার কোন প্রস্তুতিই নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। যার কারনে ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও স্থানীয়রা কোন কাজে সহযোগীতা করতে পারছেনা। তবে ভাঙ্গন রোধ সম্ভব না হলে ছেড়ে যেতে হবে বসতভিটা। তবে পানি উন্নয় বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম জানান, অতিবৃষ্টি ও যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে পানির নিচে ঘূর্ণীপাতের কারণে মাটি ও জিওব্যাগ সরে গেছে। ধ্বসের কারণে শহরবাসীকে আতংকিত না হবার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ২০১৩ সালে হার্ড পয়েন্টের এলাকায় অন্তত ২৫০ মিটার ধ্বসে পড়েছিলো। দীর্ঘ ৮বছর পর স্থায়ী বাধে ধ্বসের কারনে আতংকিত হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা।
সিরাজগঞ্জ নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইমস্ নিউজ
























