পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যার ৮’দিন অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিদিনই সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধন হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা রায়হানের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানাচ্ছেন। দিচ্ছেন প্রশাসনকে স্মারকলিপি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এসআই আকবরসহ কাউকেই আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ। এদিকে নিরাপরাধ রায়হানের হত্যাকারী পুলিশ সদস্যরা গেপ্তার না হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।

মূল অভিযুক্ত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (বরখাস্ত) এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়ার হদিসই পাচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বরখাস্ত ও প্রত্যাহার হওয়া দুই এএসআই ও চার কনস্টেবল পুলিশের পাহারায় সিলেট পুলিশ লাইন্সে রয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য ইতোমধ্যে কাষ্টঘর এলাকার সুইপার কলোনির সুলাই লালসহ দুজনকে জিজ্ঞাবাদ করেছে। তবে মূল হোতা এসআই আকবর হোসেনসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে এখন উত্তাল সিলেট।

সবকিছু ছাপিয়ে সবার মনে একটাই প্রশ্ন- আকবর হোসেন ভূঁঁইয়া কোথায়? সিলেট মহানগর পুলিশের লাপাত্তা এই অফিসারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। এ বিষয়ে অবশ্য বিভিন্ন জন বিভিন্ন কথা বলছেন। কেউ বলছেন, তিনি পুলিশের হাতের মুঠোয়ই আছেন। আবার পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, তিনি নাগালের বাইরে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে