আদনান রহমান, ঢাকা: রাজধানীর ঢাকার মোহাম্মদপুরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান ও তার স্ত্রীর দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২৮ অক্টোবর বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ১০–১৫ জনের একটি দল সলিমুল্লাহ রোডে অবস্থিত তার দোকানে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে এবং নগদ প্রায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। এ সময় তারা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলাকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে জানান মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, হামলার সময় তাকে চুরিকাঘাত করা হয়। ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান জানান, স্থানীয় প্রসাশন থেকে তিনি কোন প্রকার সহযোগীতা ও নিরাপত্তা চেয়েও পাননি। কোনোভাবে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরদিন, ২৯ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে তার স্ত্রী ইসরাত জাহান আয়শার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানে অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালায় ৮–১০ জনের একটি দল।
আয়শার দাবি, হামলাকারীরা তার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল এবং নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ইসরাত জাহান আয়শা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সহায়তা ও নিরাপত্তা চাইলেও কোনো সহযোগিতা পাননি। হামলার পর থেকে তাদের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আত্মগোপনে আছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


























