ওমর ফয়সাল, ফটিকছড়ি(চট্টগ্রাম)।। শীতের আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলেই বেশি টাকা আয় করা সম্ভব। বিষয়টি মাথায় রেখে আগাম শীতকালিন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার চাষিরা। এ বছর বৈরি আবহাওয়া ও মহামারি করোনা পরিস্থিতিতেও আগাম সবজি চাষ করতে পিছপা হননি এ এলাকার চাষিরা।

উপজেলার কাঞ্চননগর, পাইন্দং, খিরাম, নাজিরহাট, হারুয়ালছড়ি, ভ‚জপুর, রোসাংগিরিসহ প্রায় প্রতিটি এলাকায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, শিম, বেগুন, মূলা, করলা, পটল, পালংশাক, লালশাকসহ শীতকালীন নানা সবজি চাষের ধুম পড়েছে। কয়েকটি মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, চাষিরা শীতকালীন সবজির চারা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ কেউ সে চারা ক্ষেতে লাগাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ক্ষেত আগাছামুক্ত করতে নিড়ানি দিচ্ছেন। তবে এবার মহামারি করোনা পরিস্থিতি এবং অনিয়মিত ঝড়-বৃষ্টির কারণে আগাম সবজি চাষে খরচ বেশি হচ্ছে বলে জানান কৃষকরা।

উত্তর চট্টগ্রামরে বৃহত্তর সবজি মাঠখ্যাত কাঞ্চননগর মুজররি চররে সবজি চাষি আব্দুর রহমান বলেন, একদিকে দেশে মহামারি করোনা, অপরদিকে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এবার আগাম সবজি চাষে বিলম্ব হচ্ছে। বলতে গেলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে একপ্রকার যুদ্ধ করতে হচ্ছে আমাদের। এরপরও থেমে নেই আমরা। কাঞ্চননগর এলাকার সবজি চাষি নজরুল, ইউনুস, মোতালেবসহ বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, আগাম সবজি চাষ করতে গিয়ে শ্রমিক সংকটে পড়ছেন তারা।

উপজলো কৃষি র্কমর্কতা লটিন দবেনাথ জানান, উপজলোয় ৩৬৫০ হক্টের জমতিে শীতকালনি সবজরি লক্ষ্যমাত্রা নর্ধিারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে কাঞ্চননগর, দৌলতপুর, পাইন্দং ও রোসাংগরিতিে ৭০০ হক্টের জমতিে আগাম লালশাক, মূলাশাক ও বগেুন চাষাবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদেরকে বিভিন্ন রকমের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ক্যাপশন- চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা। শনিবার উপজেলার কাঞ্চননগর মুজরি চর থেকে তোলা ছবি।


মুহাম্মদ ওমর ফয়সাল, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে