রিফাত ইসলাম, (বশেমুরবিপ্রবি) প্রতিনিধি।। বর্তমান করোনা মহামারিতে গোপালগঞ্জে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সহস্রাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী।

জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি.-এর মিটার রিডিংয়ের তুলনায় বিলের অসঙ্গতিপূর্ণ কার্যক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে তারা। মিটার রিডিংয়ের তুলনায় কোথাও দ্বিগুণ আবার কোথাও তিনগুণের বিদ্যুৎ বিল ধার্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। তাদের দাবি বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ মনগড়া বিল তৈরি করেছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমাদের বসবাসরত মেসগুলো ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও বাড়ির মালিকেরাও সম্পূর্ণ বাড়ি ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য তাড়া দিচ্ছে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জর স্থানীয় বশেমুরবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সাদমান শুভ বলেন, “আমাদের ফ্লাটে এমাসে শুধু দুইটা ফ্যান আর একটা লাইট জ্বলেছে বলে বাড়ির মালিক জানান। কিন্তু মাস শেষে দেখি বিল পেপারে ২৩২৩ টাকা এসেছে। এদিকে মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে বিল পেপারের কোনো মিল নাই।” এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি.-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান,” মিটারের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের অসঙ্গতি ব্যাপারটি খুবই দুঃখজনক। করোনা মহামারিতে আমাদের অনেক রিডারের রিডিংজনিত ত্রুটিতে এমনটি হয়েছে।

তবে এই সমস্যার ব্যাপারে যে কোনো গ্রাহক যথাযথ প্রমাণসহ জেলা অফিসে যোগাযোগ করলে বিষয়টির সমাধান করে দেয়া হবে।” বশেমুরবিপ্রবিতে আবাসন সমস্যা থাকায় প্রায় ৮০ভাগ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার মেস ও ফ্লাট ভাড়া নিয়ে থাকেন। গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বর্তমানে সবাই বাড়িতে অবস্থান করছেন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে