ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বিরোধিতা করছে। তাদের আশংকা, এতে ভোট কারচুপি হবে। ভোটারদের মধ্যেও আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, ইভিএম নিয়ে আশংঙ্কার কিছু নেই। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আস্থা অর্জনে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নিরীক্ষা প্রয়োজন।

নতুন প্রযুক্তি হওয়ায় ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ইভিএম সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই, এই পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণকে জটিল মনে করেন অনেকে। আবার ইভিএমেই ভোট দেয়া সহজ মনে করেন কেউ কেউ। নির্বাচন কমিশন বলছে এটি ভোটগ্রহণের নিরাপদ মাধ্যম। ইভিএমের কন্ট্রোল ও ব্যালট ইউনিট কেউ নিয়ে গেলেও ভোট কারচুপির সুযোগ নেই বলে দাবি তাদের।

বিএনপিসহ ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেয়া রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন ও সিপিবির বিরোধিতা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের পর ফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়া, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য ৫ শতাংশ ভোটার বিকল্প পদ্ধতিতে শনাক্তের ক্ষমতা, প্রদত্ত ভোটের তথ্য কাগজে সংরক্ষণ না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বড় আপত্তি। তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আগে জানতে হবে কী ধরণের সফটওয়্যারের মাধ্যমে মেশিনটি পরিচালিত হয় এবং সেই সফটওয়্যার রিড ও রাইট করার কতোটুকু ক্ষমতা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার হাতে রাখা হয়েছে।

ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জনে আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহণযোগ্য নিরীক্ষা হওয়া দরকার বলে মনে করেন আইটি বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ইভিএমের অফলাইন প্রযুক্তি থেকে অনলাইনে আসা উচিৎ বলে মনে করেন এই তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষক।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে