কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ আজ সকাল ১০ টার দিকে কাটাখানা মোড়স্থ কুষ্টিয়া পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ফলাফল ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিক বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সভাপতি করেন কুষ্টিয়া পাবলিক স্কুলের চেয়ারম্যান ড. আমানুর আমান, আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পাবলিক স্কুলের এমডি ইমতিয়াজ সুলতান, কুষ্টিয়া পাবলিকের প্রধান শিক্ষক সাহাবুদ্দিন শেখ, সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।

উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন প্রতিটি শিক্ষকের দায়িত্ব তার ছাত্রদের সঠিকভাবে ও মনোযোগ সহকারে তৈরি করা। একজন শিক্ষক পারে একজন ভাল ছাত্র তৈরী করতে। একজন শিক্ষকের জানা দরকার একজন ছাত্র বড় হলে কি হবে। সেটা শুনে তা শিক্ষকরায় তৈরি করে দিতে পারে। এক সময় আমরা যখন স্কুলে যেতাম তখন আমাদের পায়ে ছিল না স্যান্ডেল, ছিল না ভাল জামা কাপড়। এদিকে থেকে আজকের সন্তানেরা অনেক দুর এগিয়ে আছে। তাই প্রতিটি শিক্ষকদের শিক্ষার মানসম্মত করে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি শিক্ষকের দায়িত্ব তাদের শিক্ষার্থীদের হাতের লেখার দিকে নজর দেওয়ার আহবান জানান।

তিনি আরও বলেন শিক্ষা বা জ্ঞান এমন একটি বিষয় যা কোন শেষ নেই। আজকের পিতা মাতা হলো শিশুদের বড় শিক্ষক। কারণ পিতা মাতা শিশুদের যা শেখাবেন ঐ শিশুটি তাই শিখবে। যদি কোন পরিবারের আচরণ খরাপ হয় তাহলে ঐ শিশুরটির আচরণ খরাপ হতে পারে। তাই আমাদের প্রতিটি শিশুকে ভালবাসা ও শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে হবে। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। আজ আমরা থাকবো না। কালকে তারা দেশ পরিচালনা করবে। বাংলাদেশের বাহিরে যে সম্পদ আছে তা আমাদের বাংলাদেশে পরিমান অনেক কম বা নেই বলে চলে। আমাদের সন্তান কে শিক্ষা দিয়ে বাংলাদেশের সম্পদ গড়ে তুলতে হবে সব অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। প্রতিটি মানুষকে চিন্তা করতে হবে তাদের সন্তানরা উচ্চ শিক্ষা যেন লাভ করে। নারী নির্যাতনের একটাই কারণ, সে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ না করার কারণে। তাই কমপক্ষে একজন নারীকে উচ্চ শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। একজন শিক্ষিত নারী পারে সুন্দর করে দেশ বা সংসার চালাতে। তাই আমাদের নারী শিক্ষার্থীদেরকে বেশি বেশি করে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় এবং অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে