ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে আটকের পর তাকে নিয়ে কাকরাইলে তার নিজ কার্যালয়ে অভিযান চালাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে আটক করা হয়।
চলমান শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর থেকেই টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম আলোচনায় আসে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় সেই অভিযান। ওইদিনই রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের ক্যাসিনোয় অভিযান চলে। পরে গুলশান থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর একদিন পর নিকেতন থেকে গ্রেফতার হয় যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। যুবলীগের এই দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। অভিযোগ ওঠে সম্রাটই তাদের পৃষ্ঠপোষক। এরপরও দুই সপ্তাহ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় সম্রাট।এদিকে অভিযান শুরুর প্রথম তিনদিন দৃশ্যমান ছিলেন সম্রাট। ফোনও ধরতেন তিনি। কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে কাকরাইলে নিজ কার্যালয়ে অভিযানের প্রথম ছয়দিন অবস্থান নেয় সম্রাট। পরে হঠাৎ লাপাত্তা হন তিনি। ২৩ সেপ্টেম্বর সম্রাটের ব্যাংক হিসাব স্থগিত ও তলব করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর তার বিদেশ গমনে জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।পরে ২৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খল বা অসৎ উপায় অবলম্বনকারী যে-ই হোক ছাড় পাবে না।
শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা আশপাশের বিভিন্ন সড়কের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে রোববার ভোর পাঁচটায় ভগ্নিপতি মুনির চৌধুরীর বাড়ি থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করে র্যাব। পরে দুপুর দেড়টায় সম্রাটকে নিয়ে কাকরাইলে ভুঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালায় র্যাব। এছাড়াও শান্তিনগর ও মহাখালী ডিওএইচএসে সম্রাটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























