ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেছেন, ২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের শিক্ষার্থীদের উপযোগি জনসম্পদ ও মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আশারাখি এ সম্পদ তৈরীর একটি সফল এবং সার্থক প্রতিষ্ঠান হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় লেখাপড়া, গবেষণা, সংস্কৃতি চর্চা ও খেলাধুলাসহ সকল দিক দিয়ে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে খেলাধুলায় আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রেখে চলেছে। তিনি শারিরীক সুস্থতার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে খেলাধুলার প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, শুধু কেন্দ্রীয় জিমন্যাসিয়াম নয়, স্বল্প পরিসরে প্রতি হলে জিমন্যাসিয়ামের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে করে নিয়মিত শারীরিক চর্চার মধ্যদিয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থী সুস্থ এবং সবল থাকতে পারে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজেন, জিমন্যাসিয়াম উডেন ফ্লোরে আন্ত:বিভাগ ও আন্ত:হল (ছাত্র-ছাত্রী) ব্যাডমিন্টন, টেবিল-টেনিস এবং বাস্কেটবল (ছাত্র) প্রতিযোগিতা ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও ক্রীড়া কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আজ মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়েছে, এমনকি আন্তর্জাতিকীকরনের পথে এগিয়ে চলেছে। এ জন্য মেধা, মনোন ও শারীরিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তোমাদেরকেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে আমাদের ছাত্রী ফাহিমা ধেলাধুলার মাধ্যমে আজ বিশ্ববুকে পরিচিত মুখ। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, সেখানে যে কোন প্রকার বিভাজন সৃষ্টি না হয়। আশারাখি এ প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে তোমাদের বন্ধুত্ব আরো শক্তিশালী হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য সকল বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে জঙ্গি, মাদক এবং সন্ত্রাস নির্মূল করতে হলে ক্রীড়াকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আশারাখি আমাদের শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে আরও এগিয়ে আসবে।
শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক মাবিলা রহমানের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ সোহেল। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ টি বিভাগ ও ৮টি হলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।। বিডি টাইম্স নিউজ

























