শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর প্রতিনিধি।। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:) বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের উপরেও নজরে রাখতে হবে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোর জেলার সরকারি বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। বদলি বাণিজ্যও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
তদবির প্রথা এখনও বন্ধ হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই তদবির করেন। উপদেষ্টা হওয়ার পর আমার আত্মীয় -স্বজন ও বন্ধু বান্ধবের সংখ্যা বেড়ে গেছে। যাদের অনেককেই আমি চিনি না। ফলে, আমার নামে কেউ তদবির করলে প্রথমে চা নাস্তা খাওয়াবেন। তারপর এলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবেন।
মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, পুলিশকে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে। তবে, পুলিশ সিভিল ড্রেসে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। পুলিশে তেলবাজি ব্যবস্থা ফেরার চেষ্টা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটা বন্ধ করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে কমিউনিটি পুলিশিং বাড়াতে হব।
মাদককে বড় সমস্যা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে। মাদক বন্ধে অ্যাকশান না নিলে চাকরি থাকবে না। আমরা নিরাময় কেন্দ্র খুলতে চাই না, মাদক বন্ধ করতে চাই।
মতবিনিময় সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, যশোর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা বিভাগের ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার রওনক জাহানসহ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





























