শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর সংবাদদাতা।। আগমী ৭’ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের ৬টি আসন থেকে ৩৮’জন প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৬’জন, স্বতন্ত্র ১৭’জন, জাকের পার্টি ৪’জন, তৃণমূল বিএনপির ২’জন, জাতীয় পার্টির ৪’জন এবং জাসদ, বিকল্প ধারা, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ থেকে একজন করে মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন। তারা নিজ নিজ উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে এই ফরম নিয়েছিলেন।
বিভিন্ন সুত্র জানা যায়, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে তার বিপরীতে প্রত্যেক আসন থেকে কমপক্ষে ৫-৬’জন করে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে…
যশোর-১ (শার্শা) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন। কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন, আওয়ামী লীগ নেতা নাজমুল হাসান, জাতীয় পার্টির আক্তারুজ্জামান ও জাকের পার্টির সবুর খান।
যশোর-২ (চৌগাছা ও ঝিকরগাছা) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত তৌহিদুজ্জামান তুহিন, কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী আব্দুল আওয়াল, জাকের পার্টির প্রার্থী সাফারুজ্জামান ও জাতীয় পার্টির ফিরোজ শাহ।
যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, মুসলিম লীগের প্রার্থী মোহনা খাতুন, স্বতন্ত্র হিসেবে কাজী আনিসুজ্জামান, বিকল্প ধারার মারুফ হাসান কাজল, জাতীয় পার্টির মাহবুব আলম বাচ্চু ও জাসদের রবিউল আলম।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এনামুল হক বাবুল। কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদ, তৃণমূল বিএনপির লে. কর্নেল (অব.) এম শাব্বির আহমেদ, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক, জাকের পার্টির লিটন মোল্লা ও সাবেক সচিব সন্তোষ অধিকারী।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা এসএম ইয়াকুব আলী, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক এমপি খান টিপু সুলতানের ছেলে হুমায়ুন সুলতান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন লাবলু, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী আবু নসর মোহাম্মদ মোস্তফা, ইসলামী ঐক্যজোটের হাফেজ মাওলানা নূরুল্লাহ আব্বাসী।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার। কিন্তু এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা নির্বাচন অসিফ থেকে মনোনয়ন কিনেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার আজিজুল ইসলাম, কাজী রফিকুল ইসলাম, হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, এইচএম আমির হোসেন ও জাকের পার্টির সাইদুজ্জামান।
আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন ক্রয় করা ও জমা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার।





























