বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি নিরসনে রেলের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদারকে ৬’দফা দাবি সংবলিত স্মরকলিপি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহিউদ্দিন রনি। আজ মঙ্গলবার (১৯’শে জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এ স্মারকলিপি দেন তিনি।
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের বাইরে প্রধান সড়ক থেকে দুপুরে রেল ভবনের উদ্দেশ্যে লং মার্চ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহিউদ্দিন রনি। রনি সেখান থেকে টিএসসি থেকে রেল ভবনে যান। আবার টিএসসিতে ফেরত আসেন এবং সেখানে সমাবেশ করেন। তার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন। রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে কমলাপুর স্টেশনে ৭’ই জুলাই থেকে টানা ১২’দিন অবস্থান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি নিরসনে ৬’দফা দাবি হলো-
১. টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সহজ.কম কর্তৃক যাত্রী হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। হয়রানির ঘটনায় তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ করতে হবে।
৩. অনলাইনে কোটায় টিকিট ব্লক করা বা বুক করা বন্ধ করতে হবে, সেইসঙ্গে অনলাইন-অফলাইনে টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. যাত্রী চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ রেলের অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
৫. ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কসহ অন্যান্য দায়িত্বশীলদের কর্মকাণ্ড সার্বক্ষণিক মনিটর, শক্তিশালী তথ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে রেলসেবার মান বৃদ্ধি করতে হবে।
৬. ট্রেনে ন্যায্য দামে খাবার বিক্রি, বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন রাজশাহী ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে ঢাকা-রাজশাহীর টিকিট কাটার চেষ্টা করেন রনি। তার টাকা কেটে নেওয়া হলেও তিনি তার চার টিকিটের ২ হাজার ৬৮০ টাকাও ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তিনি যখন রেলওয়ের টিকিটিং পার্টনার সহজ সিনেসিস ভিনসেন জেভি এর কাছে অভিযোগ করতে যান। তখন তার সামনে কোম্পানিটির কর্মীদের বেশি দামে টিকিট বিক্রির দৃশ্য দেখতে পান।





























