শিশুটির বাবা জানান, দুপুরে বাড়ির পাশে খেলা করে নিজ বাড়িতে ফিরছিল শিশুটি। এসময় শাওন আমার মেয়েকে জোর করে মহরম মিয়ার একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে জোরপূর্বক সিয়াম, আরমান ও শাওন মিলে পালাক্রমে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশী পারভিন আমার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে মহরম আলীর ঘরে গিয়ে আমার শিশুটিকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় জানালা দিয়ে সিয়াম, আরমান ও শাওন পালিয়ে যায়। ঘটনাটি সিয়াম, আরমান ও শাওনের পরিবার জানতে পেরে আমাদের থানায় আসতে বাঁধা দেয়। এই বিষয়ে আমরা যেন কোন মামলা মোকাদ্দমা না করি। মামলা করলে এর পরিণতি খুব খারাপ হবে বলেও হুমকি দেয়। আশপাশের লোকজনকে জানিয়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে রাতে আমরা থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করি।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজাদ রহমান জানান, ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বাদির অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতেই অভিযান পরিচালনা করে আরমান ও শাওনকে তারুয়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। তারা ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














