কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের চৈরগাঁতী পূর্বগ্রামের মৃত ওসমান শেখ পুত্র নজরুল ইসলাম (৪৫) এর সাথে একই গ্রামের মো: শামসুল আলম এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জের ধরে (২ মে ২০২২) শামছুল আলমের পুত্র মোঃ নাসির উদ্দিন (২১) কে মারধর করে নজরুল ইসলাম। এর ধারাবাহিকতায় ৩ মে ২০২২ ইং তারিখে বিকেল ৪.৪৫ মিনিটি পূর্ব পরিকল্পিত হয়ে মৃত ওসমান শেখের পু্ত্র নজরুল ইসলাম (৪৫), হাফিজুল সেখ (৩৮), মাহমুদুল সেখ (৩৫), রাশিদুল সেখ(৩০), হাফিজুল এর পু্ত্র মেরাজ সেখ (১৮), নজরুল ইসলাম এর স্ত্রী হাফিজা বেগম(৩৫), হাফিজুল এর স্ত্রী শাহানাজ বেগম(৩০), মাহমুদুল এর স্ত্রী তাসলিমা বেগম(২৮) ও রাশিদুল সেখ এর স্ত্রী তানিয়া বেগম (২৬) সংঘবদ্ধ হয়ে শামছুল আলম (৬০), নাজমা বেগম (৫০),শেফালী বেগম (২৭) ও নাসির (২১) কে বেধরক মারপিট করে। মারপিট করার শেফালী বেগম (২৭) কে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে ডাব গাছের সাথে বেধে প্রায় ৪৫ মিনিট মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে। ভুক্তভোগী পরিবার ৯৯৯ ফোনে দিলে ঘটনাস্থল থেকে কামারখন্দ পুলিশ শেফালী বেগমকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ওই নারীর সঙ্গে এক প্রতিবেশীর বিরোধ চলে আসছিল। ঈদের দিন সন্ধ্যায় ওই জমির কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে ওই নারীকে গাছের সঙ্গে বেধে নির্যাতন করা হয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।
সিরাজগঞ্জ নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














