শতভাগ কমন পড়ার নিশ্চয়তা দিয়ে এসএসসি, এইচএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রির পোস্ট মাঝেমধ্যেই দেখা যায় ফেসবুকে। শুধু প্রশ্নপত্রই নয়, ফলাফল বদলানো, এনআইডি কার্ড সংশোধনসহ নানা অফার দিচ্ছে প্রতারক চক্র।
পোস্ট দিতে গ্রুপ খোলার পাশাপাশি অন্য গ্রুপের পোস্টের কমেন্টে অফার জানিয়ে দেয়া হয়। যোগাযোগ করতে দেয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। লোভনীয় অফার পেয়ে চক্রটির সাথে যোগাযোগ করে দুর্বল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। শুরু হয় আর্থিক দেন দরবার। পুরো বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করতে হোয়াটসঅ্যাপে শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়পত্রের ছবি দিয়ে রাখে প্রতারকরা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর সরবরাহ করে ভুয়া প্রশ্নপত্র।
চলমান এসএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ফেইসবুকে সক্রিয় হয়ে ওঠে চক্রটি। সম্প্রতি সজীবুর রহমান ওরফে শাওন এবং কায়কোবাদ ওরফে সাব্বির নামে দুই প্রতারক গ্রেপ্তার হওয়ার পর বেরিয়ে আসছে প্রশ্নপত্র নিয়ে প্রতারণা।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, তাদের কাজ হচ্ছে মানুষকে প্রশ্ন দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়া। এই টাকার পরিমাণটাও খুব বেশি হয় না। এরপর টাকা নেয়ার শেষে পূর্বের প্রশ্নগুলো ডাউনলোড করে তা দিয়ে দেয়। তারা অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এবং বিভিন্ন মানুষকে প্রতারিত করেছে। প্রতারণার শিকার অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে চক্রের অন্য সদস্যদের সম্পর্কে তথ্য জেনে ফের অভিযানে নামবে গোয়েন্দা পুলিশ বলেও জানান তিনি।
তথ্যঃ ডিবিসি নিউজ

























