
লকডাউনে সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে ‘মুভমেন্ট পাস’ চালু করে পুলিশ। কিন্তু পুলিশের এই পাস তেমন কোন কাজে আসেনি বলে মনে করছেন অনেকে, হাজার হাজার মানুষ পাস ছাড়া অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া বেশিরভাগ মানুষ এই পাস সম্পর্কে জানে না আর খেটে খাওয়া মানুষরা প্রযুক্তি জ্ঞান না থাকা তারা জানেই না কিভাবে পাস সংগ্রহ করতে হবে। যারা জানে তারাও চেষ্টা করে সার্ভারে ঢুকে পাস নিতে পারছে না। ফলে, ভোগান্তি ও বিভ্রান্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে বেড়েছে।
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে পুলিশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারের বাকবিতণ্ডার যে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেখানে ওই ডাক্তারের কাছে মুভমেন্ট পাস দেখতে চেয়েছিলো পুলিশ। কিন্তু পুলিশ সদরদপ্তর থেকে শুরুতেই জানানো হয়েছিলো সাংবাদিক, ডাক্তারসহ মোট ১৮টি পেশায় নিয়োজিতদের মুভমেন্টা পাস নেয়ার দারকার নেই।
মুভমেন্ট পাস নিয়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় রওনা হন জুয়েল রানা। কিন্তু ঢাকায় ঢোকার মুখে পুলিশি হয়রানির মুখে পড়েন তিনি। পুলিশ প্রিন্ট কপি ছাড়া মোবাইলে রাখা মুভমেন্ট পাসের কপি দেখে তাকে ছাড়তে রাজি হয়নি। অনেকে মুভমেন্ট পাস নিয়ে জরুরি কাজে ঘর থেকে বের হতে চেয়েছিলো কিন্তু, সার্ভার ডাউন থাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা চেষ্টা করেও পাস নিতে পারেনি। তাছাড়া মুভমেন্ট পাস কি তা এখনও জানে না বেশির ভাগ মানুষ। রাজধানীতে চলাচলকারীদের মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ মানুষের কাছে পুলিশের মুভমেন্ট পাস ছিল।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন হয়েছে ১৯ কোটি ২২ লাখ, ৯৬ হাজার ৭’শ ৯৪ বার। আর পাস দেয়া হয়েছে ৯৬ লাখ ৩ হাজার ২’শ ১১টি।
নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ



























