ভারত থেকে ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলে আসেনি নির্ধারিত ৫০’লাখ ডোজ করে টিকা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, মজুদ টিকায় এই মাসে ১ম ও ২য় ডোজের কার্যক্রম চালাতে পারলেও সংকট তৈরি হবে আগামী মাসে। তবে আলাপ চলছে রাশিয়া ও চীনের সাথে।

জন স্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, আগে থেকেই বিকল্প উৎস রাখা উচিৎ ছিলো। দেশে করোনা টিকা নেয়ার জন্য এপর্যন্ত সুরক্ষা এ্যাপে নিবন্ধন করেছেন ৭১ লাখের বেশি মানুষ। এখনও চলছে, নিবন্ধন প্রক্রিয়া। প্রথম ও ২য় ডোজ টিকা দেয়ার প্রক্রিয়া একই সাথে চলমান। টিকার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার ভারত থেকে উপহারের টিকাসহ মোট টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ। কথা ছিলো, ভারত থেকে প্রতি মাসে আসবে ৫০ লাখ করে ভ্যাকসিন। কিন্তু গেলো তিন মাসে আসেনি চুক্তির নির্ধারিত টিকা। সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে অল্পকিছু উপহারের টিকাতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেন, মজুদ টিকা দিয়ে এমাস পার করা গেলেও বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হবে আগামী মাসে। জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, শুরু থেকে বিকল্প বাজারে যোগাযোগ রাখা দরকার ছিলো। রাশিয়া চীন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টিকার জন্য এখনি চেষ্টা করা উচিৎ বলেও মনে করেন তারা। চলমান টিকা কার্যক্রমে ১ম ও ২য় ডোজের টিকা নিয়েছেন এখন পর্যন্ত ৬৬ লাখ ১৭ হাজার ৩৬ জন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে