অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধে সাহস জাগানিয়া চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। রক্ষণাবেক্ষণে কোন উদ্যোগ নেই সরকারের। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই বেতারকেন্দ্র এখন শুধু ব্যবহার হয় ট্রান্সমিশন কেন্দ্র হিসেবে।

কালুরঘাটে বেতার কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছিলো ১৯৬২ সালে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিন থেকেই এটি দখলে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। নাম দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। এখান থেকেই ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এমএ হান্নান। একদিন পর ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় মেজর জিয়াউর রহমান আবারও ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে।কেন্দ্রটি দখলের পাঁচদিন পর পাকিস্তানিদের আক্রমনের মুখে মাত্র দশকিলোওয়াটের এই ট্রান্সমিশন যন্ত্র সরিয়ে নিতে হয় অন্যত্র। পরে মুক্তিযোদ্ধারা এটিকে নিয়ে যায় পশ্চিমবঙ্গে। সেখানেই চলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নানামুখী প্রচার।স্বাধীনতার পর বেতার কেন্দ্রটির সক্ষমতা বাড়িয়ে ১০০ কিলোওয়াট করার কথা থাকলেও আজো তা হয়নি। বর্তমানে এর সম্প্রচার ক্ষমতা ৫০ কিলোওয়াট।

কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রসহ মুক্তিযুদ্ধের সব স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখতে সরকার কাজ শুরু করেছে, দাবি সংশ্লিষ্টদের।বেতারকেন্দ্রটির যথাযথ সংরক্ষণ না হলে বিস্মৃতির মুখে পড়বে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে