করোনার নতুন ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স দেশে শনাক্ত করার দাবি করেছে গণস্বাস্থ্য আরএনএ মলিকুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার। সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।

গণস্বাস্থ্য-আরএনএ মলিকুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের দক্ষ গবেষকরা প্রাপ্ত ক্লিনিক্যাল নমুনা থেকে সার্স কোভ -২ ভেরিয়েন্টের সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন।দ্রুত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করতে পারায় সরকারের প্রশংসা করে কভিডের এ ধরনের মারাত্মক মিউটেন্টের বিকাশ যেনে না হতে পারে সে জন্য সারা দেশকে দ্রুত টিকার আওতায় আনার তাগিদ দেয়া হয়।

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার বলেছেন, আইসোলেশন থাকা ১৪ জন রোগীর নমুনা নিয়ে সার্স কোভ -২ এর জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে। যাদের দেহে এন্টিবডি ডেভেলপ করেনি তাদের খুঁজে ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় আনতে হবে। প্রতিনিয়ত ভাইরাসের জিনোম মনিটরিং করতে সরকারে প্রতি আহবান তিনি।

কভিড কেন্দ্রিক গবেষণায় সরকারি সহায়তার দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সরকারি সহায়তা পেলে কভিডের সব ধরনের ভ্যকসিন ৬ মাসের মধ্যে দেশেই তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করেন গনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৩ বিলিয়ন ডলার মজুদ রয়েছে। একটা অত্যন্ত ভালো খবর। সরকারকে অনুরোধ করছি মাত্র হাফ বিলিয়ন ডলার, জনপ্রতি মাত্র ৩ ডলার সরকার গবেষণার জন্য বিনিয়োগ করুক। আমাদের প্রতিটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করতে পারবে। তাদেরকে গবেষণার সুযোগটা করে দিতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটা মানুষের মঙ্গলার্থে এই গবেষণা করা প্রয়োজন। এই জন্য আমরা বলছি কোয়ার্টার বিলিয়ন গবেষণার কাজে, বাকি কোয়ার্টার ভ্যাকসিন উৎপাদনে ব্যয় করা হবে। বিদেশ থেকেও আমরা গবেষক আনতে পারি। বর্তমান সময়ে বাজারে যতগুলো ভ্যাকসিন রয়েছে তার সবগুলোই আমরা ছয় মাসে তৈরি করতে পারি।

ইন্ডিপেনডেন্ট

cialis 60 mg for sale cialis tablet

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে