দেশে করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। নতুন এক সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, জীবিকার তাগিদেই খুলে দিতে হয়েছে পোশাক কারখানা।তিনি বলেন, আমরা যদি জীবিকার ব্যবস্থা না করি, তাহলে মানুষতো আগামীতে না খেয়ে মরবে। আমাদেরকে শিল্পও বাঁচিয়ে রাখতে হবে, সে কারণে পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দুই হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টার পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।করোনাভাইরাসের রোগী বেড়ে যাওয়ার মধ্যে বাংলাদেশে অন্যতম বড় শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা তাদের কনভেনশন সেন্টারকে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তরিত করেছে। গত ১৩ এপ্রিল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দুই হাজার বেডের এই হাসপাতালের কাজ শুরু হয়। এসময় ৪ মে থেকে এর কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন দেড় শতাধিক কর্মী। বসানো হয়েছে বেড। প্রস্তত হচ্ছে ৭৫টি আইসিইউ। পুরো হাসপাতালকে ছয়টি ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে। একেকটিতে থাকবেন ৮ চিকিৎসক ও ৩২ জন নার্স। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থকর্মীদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থ্যা আছে।
দেশে গত তিন দিনে সর্বোচ্চ ১৭শ ৮৭ রোগী শনাক্ত হয়েছে। থামছে না মৃত্যু। এমন অবস্থায় খুলে দেয়া হয়েছে পোশাক কারখানা। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে সীমিত আকারে শিল্প-কারখানা খুলে দেয়া যায়। তবে তা সঠিক নিয়মে ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা ঠিক রেখে করতে হবে। এ সময় অবরুদ্ধ অবস্থা শিথিলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের অনেক দেশে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ড তো লকডাউন তুলে নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু করে দিয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আমরাও শিগগিরই স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাব।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














