করোনাভাইরাসে(কভিড-১৯) নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সদের থাকার জন্য রাজধানীতে ২০টি অভিজাত ও নিরাপদ হোটেল ঠিক করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব হোটেলে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, মহানগর এবং কমলাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা থাকবেন। ছয়টি হাসপাতালের সেবাদানকারীদের জন্য নির্ধারিত হোটেলগুলো হচ্ছে:
# কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জন্য ঢাকা রিজেন্সি।
# শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জন্য হোটেল অবকাশ, হোটেল জাকারিয়া, হোটেল রেনেসাঁ, ঢাকা রিজেন্সি, রেডিসন ব্লু, সোনারগাঁ, লেকভিউ, লা মেরিডিয়ান।
# কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের জন্য উত্তরার হোটেল মেলোলিফ, হোয়েল মিলিনা।
# মিরপুরের মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রান্ড প্রিন্স, হোটেল শ্যামলী, হোটেল ড্রিমল্যান্ড।
# মহানগর জেনারেল হাসপাতালের জন্য রাজমনি ঈশা খাঁ, ফারস হোটেল ও হোটেল’৭১।
# রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতালের জন্য হোটেল সাগরিকা, হোটেল গ্র্যান্ড সারকেল ইন এবং হোটেল শালিমারের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
দেশে করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী সংক্রমিত হয়েছেন। বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন-বিডিএফ এর দাবি, এখন পর্যন্ত ৪১ চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন দুজন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকরা। এছাড়া সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে ১০ জন নার্স করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে দুই জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ডাক্তার ও নার্সদের সুরক্ষা এবং সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই দেয়া হলো এমন ঘোষণা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














