রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জেলা ও দায়রা আদালতে এ মামলার ডেথ রেফারেন্সে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা জেলা জজ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেলাল চৌধুরী মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। আসামি আব্দুল মাজেদের উপস্থিতিতেই তার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন খুনি মাজেদ।কারা বিধি অনুযায়ী আগামী ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে যে কোন দিন খুনি মাজেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারবে কারা কতৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৭ই এপ্রিল) আদালতের নির্দেশে কারাগারে প্রেরণ করা হয় আব্দুল মাজেদকে। তার আগে, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। ফাঁসির সাজা পাওয়া বিদেশে পলাতক বঙ্গবন্ধুর ছয় খুনীর একজন চাকুরিচ্যুত ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ। ভারতে লুকিয়ে আছেন বলে সংবাদ মাধ্যমে বিভিন্ন সময় খবর আসলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তিনি।
আবদুল মাজেদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর আরও কয়েকজন খুনির সঙ্গে ব্যাংকক হয়ে লিবিয়া চলে যান। এরপর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান তাকে সেনেগালের দূতাবাসে বদলি করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করে। সে সময় আত্মগোপনে চলে যান মাজেদ।
ডিবিসি নিউজ থেকে



























