দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই চিকিৎসকসহ নতুন করে আরো চারজন কভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জন। এসময়ে নতুন করে কোনো মৃত্যু নেই। শুক্রবার সকালে কভিড পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য নিয়ে ফেসবুক লাইভে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এই তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে চিকিৎসকরা। চার জন আক্রান্তের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক। প্রবাসীর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছে তিন জন এবং একজনের উৎস জানা যায়নি। আক্রান্ত দুই জন ঢাকায় এবং দুই জন ঢাকার বাইরে। তাদের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন। একজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং বাকি একজনের ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। আক্রান্তসহ আগের সবার শারীরিক অবস্থা ভালো। তারা স্বাভাবিক সব কাজ করতে পারছেন।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। কাজেই তাদের নিয়ে আক্রান্ত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১০২৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩২১টি কল এসেছে।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণের দ্বিতীয় দিন চলছে। জনগণের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতেই এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আপনারা ঘরের বাইরে যাবেন না, ভেতরেই থাকবেন। আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলবেন। ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের এ ব্যাপারে বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রোগের বিস্তারকে বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করে প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।এই অধ্যাপক বলেন, রোগের বিস্তার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষার বিষয়টি প্রসারিত করার কথা জানিয়েছে। এরমধ্যে সেই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

জ্বর বা কাশি হলেই কভিড-১৯ আক্রান্ত ভেবে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ডা. ফ্লোরা বলেন, ভেবে বিচলিত বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না। আপনার দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর ছাড়াও স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ নাম্বারটি আছে সে নম্বরে আপনারা যোগাযোগ করুন। সেখানে অন্যান্য পরামর্শের পাশাপাশি এটি কভিড কিনা সে বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হবে।এখনো পর্যন্ত দেশে কভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন।

তথ্যঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে