ভেজাল ফ্রুট ড্রিঙ্কসে সয়লাব বাজার। যেগুলো তৈরি হচ্ছে নামিদামি কোম্পানির আদলেই। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এতে কোন ফল নেই আছে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও রঙ। চিকিৎসকেরা বলছেন এই জুসে কিডনি বিকলসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে তারা তৈরি করে আসছে মানহীন ফ্রুট ড্রিং। অথচ কোম্পানীটি বিএসটিআইয়ের তালিকাভুক্ত। আগেও এখানে অভিযান চালিয়ে মালিক উজ্জলসহ দুইজনকে জেল এবং জরিমানা করে র্যাব। এরপরও তারা সুধরায়নি। এখানে জুস তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক ও রং দিয়ে। জুস তৈরির সাথে জড়িত কোন কর্মীই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। বিভিন্ন কেমিক্যালের ব্যবহার হলেও নেই পরীক্ষাগার ও কেমিস্ট।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির প্রতিবেদকের উপর তেড়ে আসেন ম্যানেজার শরীফসহ সাত আটজন। তারা সবাই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার লাবনী ফ্রুট ড্রিংক কোম্পানীর কর্মী।
এক কর্মী বলেন, আমাদের ল্যাবের কাজ চলছে। আপাতত ল্যাবটা লক করা। এখানে যা পাওয়া গেছে আগামী এক সপ্তাহে পরে তা আর পাওয়া যাবে না।
নারায়ণগঞ্জ, যাত্রাবাড়ি, কেরানীগঞ্জে গড়ে উঠেছে বহু ভেজাল জুসের কারখানা। র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলছেন, এসব কারখানার বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে সাজা দেয়া হচ্ছে।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম আরো বলেন, আমাদের সময়ে এসেছে যারা এক ধরনের লাইসেন্স বা ব্যবসা করেন তাহলে তারা যথাযথ নিয়ম মেনে করতে হবে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, জুস বেশি খাওয়ানো হয় শিশু এবং রোগীদের। কিন্তু এসব ভেজাল জুস উপকারের চেয়ে ক্ষতিই করছে বেশি।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এম এইচ চৌধুরী বলেন, যে ফলের জুসটি মানুষ খাবে ভালো এবং সুস্থ থাকার জন্য সে জুসটি ক্ষতিকর হবে শরীরের জন্য। এটা জনগনের জন্য বড় হুমকি।
সংশ্লিষ্টদের মত খাদ্যে ভেজাল রোধে শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানই যথেষ্ট নয়। অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রয়োজন জনসচেতনতা।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট

























