ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষায় বাফুফে নির্বাচন নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়িতে বিরক্ত সংগঠকরা। তাই আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না সাবেক সভাপতি পদপ্রাথী কামরুল আশরাফ খান। ফুটবল উন্নয়নে সংগঠকদের মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি ক্লাবগুলোকে আয়ত্তে আনারও পরামর্শ তার। তবে নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়াই চালিয়ে যাবার প্রত্যয় তরফদার রুহুল আমিনের।

ঘরোয়া ফুটবল উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গিকার। বাফুফের সবশেষ নির্বাচনে ৩৩ ভোটে হারলেও সালাউদ্দিনের পাশে থেকে তৃণমূলের ফুটবল উন্নয়নে কাজ করার কথা জানিয়েছিলেন কামরুল আশরাফ। অথচ আজঅব্দি ফেডারেশনের দেখা যায়নি তাকে। যদিও কামরুল আশরাফের বক্তব্যটা ঠিক উল্টো।

বাফুফের আসন্ন নির্বাচনে অংশ না নিলেও ফুটবলের উন্নয়ন নিয়ে ভাবছেন প্রতিনিয়তই। আর ফুটবলের জৌলুস ফেরাতে প্রতিটি ক্লাবের বয়স ভিত্তিক দল থাকা বাধ্যতামুলক করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি। গেলো নির্বাচনে সালাউদ্দিনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন তরফদার রুহুল আমিন। সেই সময়ে দেয়া নানা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ার আক্ষেপ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির। তবে বাফুফের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৮ এপ্রিল।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে