স্টাফ রিপোর্টারঃ কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার আলাউদ্দিন নগরের বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, আলাউদ্দিন নগর শিক্ষাপল্লীর রূপকার ও প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ড. আলাউদ্দিন আহমেদ গতকাল সকাল ১০ ঘটিকার সময় তার সহধর্মীনির নামে সুরাইয়া বিলকিস চিত্ত বিত্ত বিদ্যাপিঠের শুভ উদ্বোধন করেন।

ড. আলাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি কুষ্টিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: তবিবুর রহমান বলেন, ড. আলাউদ্দিন আহমেদ একটি আলোর প্রদীপ তার ছোয়া যেখানে লেগেছে সেখানেই আলোকিত হয়েছে। আলাউদ্দিন আহমেদ’র কর্মকান্ড সম্পর্কে আমার তেমনটি জানা ছিলনা এই জেলাতে চাকরী করতে এসে তার সম্পর্কে কিছুটা জেনেছি। আজ আমি তার পাশে বসে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। দেশে বর্তমানে একাধিক গুনি মানুষের জন্ম হলেও তার মত গুনি মানুষ আজ অবধি চোঁখে পড়েনি।

তিনি অনেক গুনে গুনান্নিত ব্যক্তি। তিনি একটি ফাউন্ডেশন করেছে এই ফাউন্ডেশনের অধীনে শতাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যার মধ্যে আলাউদ্দিন নগর শিক্ষাপল্লীর একই কম্পাউন্ডের মধ্যে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার পরও আজ আরেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিলেন। এলাকার ছোট ছোট সোনামনিদের আধুনিক মানের শিক্ষা দানের জন্য প্রতিষ্ঠিত করলেন সুরাইয়া বিলকিস চিত্ত বিত্ত বিদ্যাপিঠ আমি এই বিদ্যাপিঠের সফলতা কামনা করি এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সকল প্রকার সহযোগীতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
আলাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য প্রদান করেন, অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব মো: মোয়াজ্জেদীন আহমেদ, কুমারখালী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: জালাল উদ্দীন, আলাউদ্দিন আহমেদ কলেজের অধ্যক্ষ মো: চয়েন উদ্দীন মোল্লা, বাহার কৃষি কলেজের অধ্যক্ষ নূরে আলম সিদ্দিকী, আলাউদ্দিন নগর বিপিএড কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার পাড়ই, আলাউদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক নিমিত্ত কুমার গুহসহ আরও অনৈকে।
প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও অনুষ্ঠানের সভাপতি ড.আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, মানুষের সেবার মাঝে আমি বেঁচে থাকতে চাই, সেকারণে আপনাদের সহযোগীতা প্রয়োজন। তিনি বলেন আমি যৌবনকাল থেকে সমাজসেবক হিসেবে নিজেকে আর্বিভূত করেছি। আমার নিজ জন্মস্থান আলাউদ্দিন নগরের হতদরিদ্র পল্লীবাসীর দুঃখ, দুর্দশা লাঘব ও মানব মুক্তির জন্য নানান কর্মক্ষেত্র স্থাপনের উদ্দ্যেগ নিয়েছি। আমি কিশোরবেলা থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম এবং দেখতে পেয়েছিলাম এখানকার মানুষ অবলা অসহায় ও অশিক্ষিত।
তাইতো আলাউদ্দিন আহমেদ অন্ধকারাছন্ন নিজ গ্রামে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে ও কৃষকের মুখে হাসি ফোঁটাতে প্রথম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এই এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী ও কৃষি উন্নয়নের বিল্পব ঘটাতে হবে। সেই থেকে অদ্যবধি গ্রামের মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন জীবিত অবস্থায় আরও সমাজসেবামূলক কাজ করে যেতে পারি।
এ সময় উক্ত এলাকার একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ
























