ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে ৬ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালিতেই মারা গেছে ৩জন। আর এক সাতক্ষীরা জেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫০ হাজার ঘরবাড়ি, হিসেব জেলা প্রশাসনের। খুলনা ও বাগেরহাটে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সংখ্যাও প্রায় এক লাখ। গাছপালা উপড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু এলাকা। এদিকে, বুলবুলের প্রভাবে বিভিন্ন জেলায় এখনও ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় বেড়েছে পানির উচ্চতাও। এদিকে, ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।
রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকলেও সকালে বাড়ি ফিরে খুলনার দাকোপে গাছচাপায় মারা যান গৃহবধূ প্রমিলা মণ্ডল। আর দিঘলিয়ায় মৃত্যু হয় আলমগীরের। এছাড়া, ঘুর্ণিঝড়ে কয়রা ও দাকোপের ৩ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘরচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন ৬০ বছরের বৃদ্ধ হামেদ ফকির। আর মাছ শিকার করে ফেরার পথে মারা যান জেলে বেলাল। কুয়াকাটা সৈকত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, পটুয়াখালীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বাগেরহাটেও গাছ চাপায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরার গাবুরায় বিধ্বস্ত হয়েছে সহস্রাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি। এই এলাকার দুর্যোগ মোকাবিলায় মাঠে রয়েছে ২২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। তবে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।ভোলার লালমোহন ও চরফ্যাশনেও বিধ্বস্ত হয়েছে অর্ধ শতাধিক বাড়িঘর। আহত হয়েছে ১৫ জন। বিচ্ছিন্ন রয়েছে জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ।
লক্ষ্মীপুরের রামগতির চরগজারিয়া ও তেলির চরে বুলবুলের তাণ্ডবে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।এদিকে, দুর্যোগ মন্ত্রণালয় তথ্য দিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার ঘড়বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বরগুনাতে গাছ উপড়ে ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বরিশালে ভারি বৃষ্টিপাতে নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























