১৮ থেকে ১৯ সহপাঠী দফায় দফায় পিটিয়ে নৃশংসভাবে খুন করেছে বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অন্য সহপাঠী ও পুলিশের এই সন্দেহ জোরদার হয়। হত্যাকারীদের বেশিরভাগই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এতে জড়িত সন্দেহে ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার রাত ৮টায় ফোন করে আবরার ফাহাদকে ডেকে নেয়া হয় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে। রাত ৩টার দিকে সিঁড়িতে মেলে তার মরদেহ।সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, মারধরের পর গুরুতর আহত ফাহাদকে ধরাধরি করে নিয়ে যাচ্ছেন ৩ জন।এদের পেছনে প্রথমে একজন, আর পরে একজন দ্রুত হেঁটে যান। এর পরপরই স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে যেতে দেখা যায় পাঁচজনকে। এই দশজনই সরাসরি হত্যকাণ্ডে জড়িত বলে সন্দেহ সহপাঠীদের।সহপাঠীরা আরও বলছেন, প্রথম তিনজনের মধ্যে বামপাশের কালো গেঞ্জি পরা মোয়াজ, ডানপাশের জন জেমি আর পেছনের সকালকে শনাক্ত করা গেছে। পরের দুজনকে চিহ্নিত করা যায়নি। এরপর যে পাঁচজন হেঁটে আসেন তাদের মধ্যে তানভির, রাফাত ও তোহার পরিচয় মিলেছে।
কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে পাওয়া গেছে তার বর্ণনাও।এদিকে ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দালনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ছয় ঘন্টার সিসিটিভির ফুটেজ তাদের হাতে। এই ফুটেজ থেকেই হত্যাকান্ডে জড়িতদের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।এদিকে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কুষ্টিয়া কুমারখালীর কয়া গ্রামের ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























